কৃষি ফাউন্ডেশন কর্তৃক  কৃষাণ-কৃষাণীদের মাঝে চারা-কলম জৈব সার ও সবজী বীজ বিতরণ অনুষ্ঠিত

কৃষি বার্তা ডেস্ক:

কৃষি ফাউন্ডেশনের উদ্যেগে আর্দশ গ্রাম উন্নয়ন ও গ্রাম পর্যায়ে কৃষাণ-কৃষাণীদের আয় বৃদ্ধি, পুষ্টির সুরাহা, পশু-পাখীর  খাদ্য ও আশ্রয়, সর্বপরি পরিবেশ সুরক্ষার লক্ষ্যে গত ১২/০৭/১৫ইং তারিখ ময়মনসিংহ জেলার ভালুকা ও ত্রিশাল উপজেলার কৃষকদের মাঝে চারা কলম বিতরণ করা হয়। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন  কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের সাবেক মহাপরিচালক কৃষিবিদ মোঃ এনামুল হক।  অন্যন্যের মধ্যে আরো উপস্থিত ছিলেন কৃষি ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান কৃষিবিদ মোঃ তারিক হাসান, কৃষিবিদ পোল্ট্রি লিঃ এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক কৃষিবিদ মোঃ রেজাউল করিম খান (টুটুল)। আরো উপস্থিত ছিলেন কৃষিবিদ ফিড লিঃ এর এম ডি কৃষিবিদ মোঃ আলমগীর।

ময়মনসিংহ জেলার ভালুকা ও ত্রিশাল উপজেলার ৪টি গ্রামের প্রতিটিতে ২০০টি তালিকাভুক্ত উপকারভোগী পরিবারের নিকট চারা-কলম, জৈবসার ও সবজী বীজ বিতরণের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়। স্থানগুলো হলোঃ ত্রিশালের বাহাদুরপুর ও গুজিয়াম, ভালুকা উপজেলার বহুলী ও নিশিন্দা  গ্রাম।

চারা কলম বিতরণের পাশা-পাশি প্রত্যেক পরিবারকে প্রতিষ্ঠানের উৎপাদিত ৫ কেজি জৈবসার এবং মৌসুম উপযোগী সবজী বীজ সরবরাহ করা হয়। এ ছাড়াও লালশাঁক, ঢেঁড়শ, চিচিঙ্গা, করলা, চালকুমড়া ও মরিচের বীজ বিতরণ করা হয়।

কোরআন থেকে তেলওয়াতের মাধ্যমে অনুষ্ঠান শুরু করা হয়। কৃষিবিদ গ্রুপের পক্ষ থেকে কৃষিবিদ তারিক হাসান সহ অন্যান্য উপস্থিত কর্মকর্তা ও স্থানীয় প্রতিনিধিগণ বক্তব্য রাখেন। বক্তাগণের বক্তব্যে গাছ লাগানোর সু-ফল ও সূদুর প্রসারী প্রভাব সর্ম্পকে জনসচেতনামূলক বিষয় উঠে আসে। “সদকায়ে জারিয়া, ইহকাল-পরকালের ফায়দা, পরিবেশের উন্নয়ন, মানুষ ও প্রাণীকুলের জন্য অনুকূল প্রভাব, পুষ্টি ও আয়ের উৎস হিসাবে অবদান, গাছ রোপণ ও পরিচর্যা গ্রহণের গুরুত্বপূর্ণ কারিগরি দিকগুলো বিশেষভাবে অনুষ্ঠানে তুলে ধরা হয়।

প্রতিটি অনুষ্ঠানে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি ও উপকারভোগী কিছু সংখ্যক কৃষক বক্তব্য রাখেন। তাঁদের বক্তব্যে উঠে আসে এলাকায় কৃষিবিদ গ্রুপের অবদান, কর্মকান্ড, অনুপ্রেরণা, উৎসাহ ও গ্রহণযোগ্যতা বিশেষ করে কৃষিবিদ তারিক হাসানের অনুপ্রেরণামূলক বক্তব্যে গ্রামবাসী অভিভূত হয়। তাঁদের কথা বার্তায় মনে হয় সংশ্লিষ্ট গ্রামবাসী কৃষিবিদ গ্রুপের অলিখিত পরিবার। বক্তব্য শেষে প্রতি পরিবারকে ৫টি করে চারা কলম সরবরাহ করা হয়। এগুলো হলো- আমের চারা, কাঁঠাল চারা, জাম চারা/ মেহগনি চারা, পেয়ারা চারা ও লেবুর চারা (কাগজী/ এলাচি/ সিডলেস)।

এছাড়া একই সঙ্গে প্রতি পরিবারকে প্রদান করা হয় কৃষিবিদ গ্রুপ কর্তৃক উৎপাদিত ৫ কেজি জৈবসার (প্রতি প্যাকেট ১ কেজি)। আরও এতে ছিল মৌসুম উপযোগী ৫ ধরণের ৫ প্যাকেট সবজী বীজ। সবজী গুলো হলো লালশাক, ঢেড়শ, চিচিঙ্গা, করলা, চালকুমড়া ও মরিচ।

FacebookTwitterGoogle GmailEmailYahoo MailYahoo MessengerShare

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *