গোপালপুরে কৃষ্ণচূড়া গাছ রোপণ করলেন বাংলাদেশ পুলিশের ইন্সপেক্টর

 

জেনারেল এ কে এম শহীদুল হক

টাঙ্গাইলের গোপালপুরে নিজ হাতে একটি কৃষ্ণচূড়া গাছ রোপন করেছেন বাংলাদেশ পুলিশের ইন্সপেক্টর জেনারেল এ কে এম শহীদুল হক বিপিএম, পিপিএম। তিনি গত ৩১ জুলাই সোমবার দুপুরে প্রায় ২কোটি ৯৭লাখ টাকা ব্যায়ে নির্মিত টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার হেমনগর পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের নতুন ত্রিতল ভবন উদ্বোধন উপলক্ষে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য শেষে পুলিশ তদন্তকেন্দ্র চত্ত্বরে গাছটি রোপণ করেন।

এসময় ঢাকা রেঞ্জের ডিআইজি শফিকুল ইসলাম, জেলা পুলিশ সুপার মাহবুব আলম, উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ইউনুছ ইসলাম তালুকদার, বিশিষ্ট শিল্পপতি মশিউজ্জামান রুমেল, উপজেলা নির্বাহী অফিসার দিলরুবা শারমীন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আসলাম খান, সহকারি কমিশনার (ভূমি) আহম্মদ আলী, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (গোপালপুর সার্কেল) রামানন্দ সরকার, পৌর মেয়র রকিবুল হক ছানা, জেলা পরিষদের সদস্য বীরমুক্তিযোদ্ধা আবদুল কাদের তালুকদার, গোপালপুর থানার ওসি হাসান আল মামুন, ইউপি চেয়ারম্যান রওশন খান আইয়ুব, উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি হালিমুজ্জামান তালুকদার, সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম তালুকদার সুরুজ, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতির সভাপতি গোলাম ফারুক, সাধারণ সম্পাদক মো. শফিকুল ইসলাম তালুকদার, ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি মাহমুদুন নবী রনজু মাস্টার, সাধারণ সম্পাদক আনিছুর রহমান তালুকদার হিরা প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

স্বাধীনতা বিরোধী, জঙ্গী ও সন্ত্রাসীদের বিরোধীদের পুলিশের এখন জিরো টলারেন্স। একুশে গ্রেনেড হামলা মামলার আাসামীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে। গোপালপুরে এদের পৃষ্ঠপোষক থাকলে তাদেরকেও ছাড় দেয়া হবেনা।

তিনি গতকাল সোমবার দুপুরে প্রায় ২কোটি ৯৭লাখ টাকা ব্যায়ে নির্মিত টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার হেমনগর পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের নতুন ত্রিতল ভবন উদ্বোধন উপলক্ষে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তবে এ কথা বলেন। টাঙ্গাইলের পুলিশ সুপার মাহবুব আলমের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি ছিলেন ঢাকা রেঞ্জের ডিআইজি শফিকুল ইসলাম। বক্তব্য রাখেন, উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ইউনুছ ইসলাম তালুকদার, বিশিষ্ট শিল্পপতি মশিউজ্জামান রুমেল। উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা নির্বাহী অফিসার দিলরুবা শারমীন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আসলাম খান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (গোপালপুর সার্কেল) রামানন্দ সরকার, গোপালপুর থানার ওসি হাসান আল মামুন প্রমুখ।

বাংলাদেশ পুলিশের ইন্সপেক্টর জেনারেল এ কে এম শহীদুল হক বিপিএম, পিপিএম তার বক্তব্যে বলেন, স্বাধীনতা বিরোধী, জঙ্গী ও সন্ত্রাসীদের বিরোধীদের পুলিশের এখন জিরো টলারেন্স। একুশে গ্রেনেড হামলা মামলার আসামীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে। গোপালপুরে এদের পৃষ্ঠপোষক থাকলে তাদেরকেও ছাড় দেয়া হবেনা। মাদক, সন্ত্রাস ও জঙ্গীবাদের বিরুদ্ধে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে। এজন্য কমিউনিটি পুলিশিং ব্যবস্থা গড়ে তোলা হয়েছে। যাতে জনগণ-পুলিশ সেতুবন্ধন রচিত হয়। এখন আর ওপনিবেশিক আমলের পুলিশ প্রশাসন ব্যবস্থা নেই। কোন পুলিশ সদস্য অপরাধমূলক কাজের সাথে জড়িত হলে তাকেও ছাড় দেয়া হবেনা

————————————-

লেখকঃ

এ কিউ রাসেল, সাংবাদিক ও মানবাধিকার কর্মী, গোপালপুর, টাঙ্গাইল।

ই-মেইলঃ aqrasel@gmail.com

FacebookTwitterGoogle GmailEmailYahoo MailYahoo MessengerShare

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *