গোল্ডেন রাইস: কৃষি ও জীব-বৈচিত্র্য

 

 

মো: জিয়াউর রহমান ভূঁঞা

 

গোল্ডেন রাইস হচ্ছে বিটা ক্যারোটিন সমৃদ্ধ জৈব প্রযু্িক্ত প্রকৌশলের মাধ্যমে রূপান্তরিত ধান। গোল্ডেন রাইসের স্বপ্নদ্রষ্টা হলেন সুইস ফেডারেল ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজির প্লান্ট সায়েন্ট ইনস্টিটিউটের বিজ্ঞানী Ingo Potrykus এবং জার্মানীর ফ্রেইবার্গ বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষক Peter Beyer। গোল্ডেন রাইস তৈরী করা হয়েছে ধানে ড্যাফোডিল থেকে Psy এবং মাটির ব্যাকটেরিয়া Erwinia uredovora থেকে CrtI নামক জিন রূপান্তরের মাধ্যমে। এই ধানের সূত্রপাত হয় মূলত দারিদ্র জনগোষ্ঠী ভিটামিন এ অভাবজনিত রাতকানা রোগ দমনে। প্রথমে  Ingo Potrykus  এবং  Peter Beyer ড্যাফোডিল থেকে বিটা ক্যারোটিন জিন নিয়ে গোল্ডেন রাইস তৈরী করেছিলেন। পরবর্তীতে ওজজও ড্যাফোডিলের পরিবর্তে ভূট্টা থেকে জিন ট্রান্সফার করে। সিনজেন্টা’র একদল বিজ্ঞানী গোল্ডেন রাইসে বিটা ক্যারোটিন বৃদ্ধির লক্ষ্যে প্রকৃত গোল্ডেন রাইসের crtIজিনের সাথে ফাইটোজিন সিনথেসিস জিনের সমন্বয় করে। যা আগের তুলনায় ২৩ গুন বেশী ক্যারোটিনয়েড সমৃদ্ধ (৩৭ মাইক্রোগ্রাম/গ্রাম) গোল্ডেন রাইস-২ উদ্ভাবন করেছিল।

গত একদশক ধরে গোল্ডেন রাইস নিয়ে চলছে নানামুখী তুমুল বিতর্ক। গোল্ডেন রাইস ধর্মীয়, সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য এবং দেশীয় স্বকীয়তার প্রশ্নে নানাবিদ প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে। বিশ্বব্যাপী বিজ্ঞানীদের বড় অংশ জিএম ফসলের নানাবিধ নেতিবাচক ফলাফলের ইঙ্গিত দিচ্ছেন। বিশেষজ্ঞরা বলছেন- গোল্ডেন রাইস ভক্ষণ ঝুঁকিপূর্ণ। যা জনস্বাস্থ্য, জীব বৈচিত্র্য এবং পশুস্বাস্থ্যের জন্য মারাতœক হুমকিস্বরূপ। গ্রিনপিস বলছে- গোল্ডেন রাইস হলো Fools Gold। জিএম সমালোচক ভন্দনা শিবা (ভারতীয়) গোল্ডেন রাইসকে Trojan Horse  হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন। বিশেষ্ণরা বলছেন- এমনিতেই বৈশ্বিক বীজ বাজার নিয়ন্ত্রণ করছে বহুজাতিক ১০টি কোম্পানি তার উপর গোল্ডেন রাইস সেই একচেটিয়া বাণিজ্যিকে আরো সম্প্রসারিত করবে। এছাড়া গোল্ডেন রাইসের দীর্ঘমেয়াদে প্রাণীদেহে গবেষণার কোন সুনিদিষ্ট তথ্য উপাত্ত নাই। “গোল্ডেন রাইস একটি বিপজ্জনক গবেষণা”-এই শিরোনামে ২০০৭ সালে একটি নিবন্ধ প্রকাশিত হয়েছিল। Rockefeller Foundation এই প্রকল্পের অন্যতম আর্থিক সাহায্যদাতা যারা ইতোমধ্যেই গোল্ডেন রাইস প্রকল্পে তাদের সহায়তা বন্ধ করে দিয়েছে। পোপ ২০১৩ সালে প্রফেসর Peter Beyer – এর সাথে সাক্ষাত করেন এবং ব্যক্তিগতভাবে গোল্ডেন রাইসের প্রতি আশির্বাদ ব্যক্ত করেন। যদিও তিনি জেনেটিক মডিফিকেশনের নিয়ে উদ্বিগ্ন যে এটি গরীবের উপকারের চেয়ে ব্যবসায়ীদের লাভবান করবে কিনা।

বিজ্ঞানীরা বলেন- যে মানুষ কম পরিমাণ চর্বি ও চর্বিযুক্ত খাবার গ্রহণ করে কিংবা যে মানুষ ডায়রিয়ায়, ক্ষুদ্রান্ত্রেও প্রদাহসহ অন্যান্য রোগে আক্রান্ত সে কীভাবে খাবার থেকে বিটা ক্যারোটিন গ্রহণ বা শোষণ করতে পারে? এমনকি বিটা ক্যারোটিন যদি শোষিত হয়েও থাকে তা থেকে ক্ষতিকর বিষাক্ততা দেখা দিতে পারে। গোল্ডেন রাইস ভিটামিন এ এর অভাবজনিত সমস্যার অন্তর্নিহিত কারণ যেমন, মানুষের জৈবিক, সাংস্কৃতিক এবং খাদ্যাভাসের জটিল বিষয়গুলোর কোন সমাধান দিতে পারেনি। তাছাড়া পুষ্টিহীনতার বহুমুখী সমস্যার মাত্র একটি হলো VAD বা ভিটামিন এ’র অভাব জনিত সমস্যা। এছাড়াও হজম প্রক্রিয়ায় বিটা ক্যারোটিন পরিবর্তিত হয়ে রেটিনল বা রেটিনোইক এসিড তে রূপান্তরিত হতে পারে, যা চর্বি বা Plasma তে জমা হতে পারে কিন্তু এর প্রভাব বিষাক্ত এবং প্রজনন স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকারক হতে পারে। নি¤œ মাত্রায় ভিটামিন-এ স্বাস্থ্যের জন্য প্রয়োজনীয় হলেও উচ্চ মাত্রায় ভিটামিন এ হাইপার-ভিটামিনোসিস এবং  tera logenicity ভিটামিন-এ জনিত বিষাক্ততা তলপেট, নাকে ব্যথা, বমি বমি ভাব এবং শিশুদের Fontanelle সৃষ্টি করতে পারে, অন্যদিকে দীর্ঘমেয়াদী বিষাক্ততা হাড় ও হাড়ের সংযোগস্থলগুলোর ব্যথা সৃষ্টি, চুল পড়া, শুষ্কতা জ্বর, ওজন হ্রাস, উচ্চ রক্তচাপ, ঠোঁটে ফাটলের মতো রোগ সৃষ্টি করতে পারে (শিবা, ২০০১)। গোল্ডেন রাইসের বিরুদ্ধে আরেকটি সমালোচনা হলো- প্রাথমিকভাবে (এজ১) ধান থেকে ভিটামিন-এ’র সুপারিশকৃত ডোজ পেতে হলে একজন মানুষকে দৈনিক ৯ কেজি ভাত খেতে হতো (গ্রিনপিস, ২০০১)। পরবর্তীতে ক্যারোটিনের মাত্রা বাড়িয়ে দিয়ে দ্বিতীয় প্রজন্মের গোল্ডেন রাইস (এজ২) উদ্ভাবন করে। কিন্তু প্রশ্ন থেকেই যায় যে, যে পরিমান ক্যারোটিন বৃদ্ধি করা হয়েছে দ্বিতীয় প্রজন্মের গোল্ডেন রাইস উদ্ভাবনে; এ ধানের ভাতে সেই একই পরিমাণ ভিটামিন-এ উৎপন্ন হবে তো? বিষয়টি এখনও গবেষণার দাবি রাখে।

এছাড়া জীন প্রতিস্থাপনে অনাকাঙ্খিত ও জটিল পরিস্থিতি থেকে এই গোল্ডেন রাইস নিরাপদ কি না? দেখা যায়, জীন প্রতিস্থাপন সম্পর্কিত এ জটিল পরিস্থিতি অনেক সময় মানব স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে। জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে অনিশ্চিত অনাকঙ্খিত প্রতিক্রিয়া সংঘটিত হতে পারে; কারণ জীন প্রতিস্থাপনে অনিশ্চিত পদ্ধতি অনুসৃত হয়। ওই প্রক্রিয়ায় এই বিদেশি জীনগুলো খুব সম্ভবত পুনর্গঠিত হতে পারে বা এর বৈশিষ্ট্য সম্পূর্নভাবে বিলুপ্তি ঘটতে পারে কিংবা নতুন বৈশিষ্ট্য প্রতিস্থাপন হতে পারে। এসব প্রক্রিয়া এমন নতুন প্রোটিন সৃষ্টি করতে পারে, যা মানবজাতির ভোগ তালিকার ইতিহাসে কখনও ছিল না। তাই প্রোটিনের মাত্রা কমানো বা এন্টি প্রোটিনের মাত্রা এবং বিষাক্ততা বা এলার্জিও মাত্রার ক্ষেত্রে ঝুঁকি দেখা দিতে পারে (NAS ২০০৪)।

জেনিটিক্যালি মডিফাইড অর্গানিজম এর অনির্ধারিত বা অনাকাঙ্খিত প্রতিক্রিয়া সম্পর্কে বুঝার জন্য বেশি দূরে যাওয়ার প্রয়োজন নেই। কারণ গোল্ডেন রাইস এর হলুদ রংটিও অনাকাঙ্খিত। গোল্ডেন রাইস এর রং Lycopene এর লাল রং এর মতই হওয়ার কথা যা দুটি ক্যারোটিনয়েড এর জৈব বিক্রিয়া ফল। কিন্তু গোল্ডেন রাইস এর মধ্যে কখনই Lycopene  পরীলক্ষিত হয়নি। বরং এর পরিবর্তে সেখানে বিটা ক্যারোটিন, লুটিন এবং Zeaxanthin  উৎপন্ন হয়েছে (Seharb et. al.২০০৫). অন্যদিকে এই গোল্ডেন রাইস উৎপাদনে পরিবেশ-প্রতিবেশের ওপর কী রকম প্রভাব পড়তে পারে? ধান স¦-পরাগায়ন উদ্ভিদ আর এই কারণে ব্রিডাররা এই ভেবে সন্তষ্ট হতে পারেন যে, গোল্ডেন রাইসের সাথে অন্যান্য প্রজাতির শংকরায়িত হওয়ার মতো ১০% সম্ভবনা থাকতে পারে। অধিকন্তু, এটা প্রমানিত হয়েছে যে জীন প্রযুক্তিতে উদ্ভাবিত ধান, বন্য ধান বা আগাছার সাথে পরাগায়ণের সম্ভবনা বেশি থাকে। এর ফলে এই Hybrid (বন্ধ্যা) ধান থেকে অতি শক্তিশালী আগাছা জন্মাতে পারে (International Biosafety Forum, ২০০৮)। তাই এটি বিপজ্জনক এ জন্য যে, এই দূষণ দূর করা এবং এটিকে নিয়ন্ত্রণ করাও দুঃসাধ্য।

অন্যদিকে গোল্ডেন রাইসের হলুদ রঙ এবং এই ধানের বিন্যাসের কারণে ভোক্তারাও এই ধানকে প্রত্যাখান করার সম্ভাবনা রয়েছে। বর্ণের কিংবা বিন্যাসের কারণে বা এঊ খাদ্য পরিহারের কারণে এ ধান কেউ যদি না কিনে তাহলে কৃষকরা যারা এই ধান উৎপাদনে বাধ্য/উদ্বুদ্ধ হবেন তাদের ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার সম্ভাবনা বেশি। এক্ষেত্রে এই ক্ষতির দায়ভার কারা বহন করবে? গোল্ডেন রাইসের আরেকটি সমস্যা হলো মজুদ করে রাখলে ভিটামিন-এ উপাদানটি হারিয়ে যায় (Pelegrina, ২০০৭)। ক্যারোটিনয়েড, প্রাকৃতিকভাবেই আলো সংবেদনশীল এবং বাতাসের অক্সিজেনের সাথে বিক্রিয়া করে। ফলে প্রক্রিয়াজাতকরণ, গুদামজাতকরণ বা খাদ্য প্রস্তুতের সময় তা থেকে ভিটামিন-এ লোপ পেতে পারে (WHO, ২০০৬)। উচ্চ মাত্রায় ভিটামিন-এ সমৃদ্ধ ধান আবিষ্কার নিশ্চিতভাবেই একটি গুরুত্বপূর্ন বৈজ্ঞানিক আবিস্কার, কিন্তু এর ফলে বহুমুখী অপুষ্টি সমস্যার সমাধান বা অন্ধত্ব নিবারণ এর দাবি অবৈজ্ঞানিক। এটি অবধারিতভাবে জীন প্রযুক্তির স্বপক্ষে জনমত সৃষ্টির একটি কর্পোরেট প্রচেষ্টা। সত্যিকার অর্থে গোল্ডেন রাইস কৃষিতে শিল্প ব্যবস্থাপনা প্রচলনের মাধ্যমে জীব বৈচিত্র্যকে ধ্বংস, যা খাদ্য বৈচিত্র্যকে নষ্ট করবে এবং যা অপুষ্টিজনিত সমস্যার অন্যতম মূল কারণ।

অধুনা মায়ের গর্ভে থেকে এমনকি যে সকল মহিলা গর্ভধারণ করেনি তাদের রক্তের নমুনায় Bt toxin (Cry 1AC) পাওয়া গেছে (Anis and Leblanc, ২০১১)। যা প্রমাণ করে ইঃ এর বিষাক্ততা মানব শরীরে সম্পূর্ন মাত্রায় বিলীন হয় না। এই তথ্য  Bt crop  এর উচ্চমাত্রার স্বাস্থ্য ঝুঁকি প্রমাণ করে। এমনকি জীন প্রযুক্তির ক্ষেত্রে যদি অন্য কোন শস্য থেকেও জীনটি সংগ্রহ করা হয় তাও ক্ষতিকারক হতে পারে। যেমনটি দেখা গেছে যখন সীম জাতীয় একটি শস্যের অনিষ্টকারী নয় এমন একটি প্রোটিন ডাল জাতীয় একটি শস্যে প্রবেশ করানো হয় তখন তা পরীক্ষামূলক ইঁদুরের ফুসফুসে প্রদাহ সৃষ্টি করে এবং খাদ্যেও অন্যান্য প্রোটিনের সাথে বিক্রিয়ায় সহায়তা করে (Prescott et al.,  2005)

 

বাংলাদেশ রাইস রিসার্চ ইন্সটিটিউট (ব্রি), ফিলিপাইনের ইন্টারন্যাশনাল রাইস রিসার্চ ইন্সটিটিউট (ইরি)-এর কারিগরি এবং আর্থিক সহায়তায় প্রতিষ্ঠিত গবেষণাগারে এবং কাঁচঘরে নিয়ন্ত্রিত পরিবেশে গোল্ডেন রাইস নিয়ে গবেষণা কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে। বাংলাদেশে কৃষকদের কাছে অত্যন্ত সুপরিচিত ধান BR-29 এ জিন প্রকৌশলের মাধ্যমে বিটা ক্যারোটিন জিন ঢুকিয়ে দেয়া হয়েছে। দশ বছর আগে বাংলাদেশী বিজ্ঞানী সাবেক ইরি বায়োটেকনোলজিস্ট স্বপন কে. দত্ত সর্বপ্রথম BR-29 ধানে ড্যাফোডিলের বিটা ক্যারোটিন উৎপাদনকারী জিন ঢুকিয়ে ছিলেন। PhilRice. BRRI, Ges Indonesian center for Rice Research (ICRR) কৃষকদের কাছে অত্যন্ত সুপরিচিত ধানের জাতগুলোকে গোল্ডেন রাইস প্রযুক্তি ব্যবহারের জন্য বেছে নিয়েছে। ইতোমধ্যে ন্যাশনাল বায়োসেফটি কমিটির অনুমোদন লাভ করেছে। পরবর্তীধাপে আরো কয়েকটি ঋতুতে উৎপাদন প্রক্রিয়া শেষে বাণিজ্যিকভাবে চাষাবাদ এবং বিপননের অপেক্ষায় আছে। বলা হচ্ছে কৃষকরা নিজস্ব বীজ ব্যবহার করেই ধান উৎপাদন করতে পারবে যার বীজমূল্য দেশে উৎপাদিত অন্যান্য উচ্চ ফলণশীল ফসলের মতোই হবে। উদ্বেগের কারণ হলো এই ধান কৃষকের কাছে জনপ্রিয় হয়ে গেলে এদেশে চাষাবাদ হয় এমন হাজার হাজার দেশীয় প্রজাতির ধান বিলুপ্ত হয়ে যেতে পারে। কৃষি বিশেষ্ণরা বলছেন- গোল্ডেন রাইস এভাবে কৃষি ও খাদ্য ব্যবস্থায় কর্পোরেট নিয়ন্ত্রণের ভিতকে আরো শক্ত ও মজবুত করে তুলবে।

কৃষকরা জিএম ফসল বর্জন করছে কারণ এটা বীজ নিয়ে কৃষি বাণিজিকীকরণের একটি বড় ফাঁদ। ফিলিপাইনে ২০১৩ সালে গোল্ডেন রাইস বিরোধীরা গবেষণা মাঠের ধানগাছ উপড়ে ফেলেছিল। স্বাস্থ্য ও পরিবশেগত ঝুুঁকি বিবেচনায় পাশ্ববর্তী দেশ ভারতে গত দশ বছরেও এই ধান আবাদের অনুমোদন মেলেনি। তাহলে প্রশ্ন থেকেই যায় গোল্ডেন রাইস বাংলাদেশে কেন? বাংলাদেশের কৃষি, জীব-বৈচিত্র্য এবং গ্রামীণ জীবন ও জীবিকায় গোল্ডেন রাইস নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে কিনা তা নিয়ে অধিকতর গবেষণা ব্যতিরেকে জিএম ফসল গোল্ডেন রাইস চাষাবাদ ভবিষ্যতে অপ্রত্যাশিত বিপর্যয় বয়ে আনতে পারে।

লেখক:

সহকারী অধ্যাপক

উদ্ভিদ রোগতত্ত্ব বিভাগ,

শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা- ১২০৭

ঊ-সধরষ: ziaur_1820@yahoo.com

FacebookTwitterGoogle GmailEmailYahoo MailYahoo MessengerShare

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *