জিএম ফুডের ভালো মন্দ

কৃষিবিদ ফরহাদ আহাম্মেদ
জিএম ফুড হচ্ছে জেনেটিক্যালি মডিফাইড ফুড (Genetically Modified Food)৷ অর্থাত্‍ এক জীব থেকে অন্য জীবের ডিএনএতে জিন প্রতিস্থাপন, জিন সংযোজন ও জিন বিয়োজন করে জিন কাঠামো বা ডিএনএ (ডিঅক্সি রাইবো নিউকিক এসিড) এর গঠন পরিবর্তন করে উত্‍পাদিত বা উদ্ভাবিত খাদ্যশস্য, শাকসবজি, ফল, মাছ, মুরগি, দুধ ইত্যাদি খাদ্য হচ্ছে জিএম ফুড৷ খাদ্য ছাড়া অন্য ফসলকে জিএম ফসল এবং বীজকে বলে জিই বীজ৷ বর্তমানে খুব বড় আকারের শাকসবজি, ফল, মাছ, মুরগি, অধিক উত্‍পাদনশীল ধান, গম, ভুট্টা রোগ পোকা প্রতিরোধী জাত, অধিক উত্‍পাদকারী গাভী ইত্যাদি জিএম ফুড ২৯টি দেশে চাষাবাদ হচ্ছে৷ বাংলাদেশে কৃষক পর্যায়ে চাষ শুরু হয় নি৷ গবেষণা হচ্ছে৷ তবে দেশে জিএম ফুড আমদানি হচ্ছে৷ জিএম ফুডের ভালোমন্দ, স্বাস্থ্যগত, পরিবেশগতসহ বিভিন্ন বিষয়ে পক্ষে বিপক্ষে ব্যাপক গবেষণা হচ্ছে৷ জিএম ফুড নিয়ে বিজ্ঞানী ও শুশীল সমাজের মধ্যে বিতর্ক চলছে সারা বিশ্বে৷
বিস্তৃতি
১৯৯৬ সনে প্রথম জিএম ফসলের চাষ ও বাজারজাত শুরু হয় আমেরিকায়৷ সে সময় ১.৭ মিলিয়ন হেক্টর জমিতে চাষ হয়েছিল৷ গত ১৪ বছরে জিএম ফসলের চাষে জমির পরিমাণ বেড়ে ১৪৮ মি. হে. হয়েছে৷ অর্থাত্‍ ৮৭ গুণ বেড়েছে৷ ১৭টি দেশে ৫০ হাজার হেক্টর বা তার চেয়ে অধিক পরিমাণ জমিতে জিএম ফসল চাষ হচ্ছে৷ দেশগুলো হলো- যুক্তরাষ্ট্র, ব্রাজিল, আর্জেন্টিনা, ভারত, কানাডা, চীন, প্যারাগুয়ে, পাকিসত্মান, দণি আফ্রিকা, উরুগুয়ে, বলিভিয়া, অস্ট্রেলিয়া, ফিলিপাইন, মিয়ানমার, বারকিনা ফাসো, স্পেন এবং মেক্সিকো৷ ১২টি দেশে ৫০ হাজার হেক্টরের কম পরিমাণ জমিতে জিএম ফসল চাষ হচ্ছে৷ দেশগুলো হলো- কলম্বিয়া, চিলি, হণ্ডুরাস, পর্তুগাল, চেকপ্রজাতন্ত্র, পোলান্ড, মিশর, স্লোভাকিয়া, কোস্টারিকা, রোমানিয়া, সুইডেন এবং জার্মানি৷ ২০১২ সনে পৃথিবীতে উত্‍পাদিত মোট সয়াবিনের শতকরা ৮১ ভাগ হলো জিএম সয়াবিন, শতকরা ৬৪ ভাগ জিএম তুলা, শতকরা ২৯ ভাগ জিএম ভুট্টা ও শতকরা ২৩ ভাগ জিএম ক্যানোলা৷ ২৯টি দেশে যেসকল জিএম ফসল চাষ হচ্ছে- সয়াবিন, ভুট্টা, তুলা, ক্যানোলা, সুগারবিট, আলফা আলফা, পেঁপে, স্কোয়াশ, পাপলার, মিষ্টি মরিচ, টমেটো ও গোলআলু৷ ২৯টি দেশের মধ্যে মোট জিএম ফসলের শতকরা ৪৫ ভাগ (৬৬.৮ মিলিয়ন হেক্টর) চাষ হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রে৷ জিএম ফসল চাষাবাদের দিক থেকে দ্বিতীয় ব্রাজিল (২৫.৪ মি.হে) ও তৃতীয় হচ্ছে আর্জেন্টিনা (২২.৯ মি.হে)৷ দণি আফ্রিকায় জিএম ইক্ষু আঙ্গুর ও কাসাবার চাষ ২০১২ সনে শুরু হয়েছে৷
সুবিধা
১৷ ক্রমবর্ধমান মানুষের ক্ষুধামুক্ত, দারিদ্র বিশ্বে ও পুষ্টিহীনতা দূর করার জন্য ক্রমহ্রাসমান জমি থেকে অধিক খাদ্য উত্‍পাদনের জন্যই বিজ্ঞানীরা জিএম ফসল, উদ্ভাবন করছে৷ এবহবঃরপ ঊহমবহববত্‍রহম ওহংঃরঃঁঃব বীজ চাষাবাদে ফলন ১০গুণ বৃদ্ধি পায়৷ লোনামাটি ও খরা এলাকায় ফলন ভালো হয়৷
২৷ ইচ্ছামত কাংখিত গুণ সম্পন্ন ফসল উদ্ভাবন করা যায়৷ যেমন- ডায়াবেটিস প্রতিরোধ সম্পন্ন ধানের জাত উদ্ভাবন করা হয়েছে৷
৩৷ অন্যান্য পদ্ধতির চেয়ে জাত উদ্ভাবনে সময় অনেক কম লাগে৷ সংকরায়ণ পদ্ধতিতে ১০-১২ বছর লাগে৷ জিইতে ২ বছর লাগে৷
৪৷ রোগ প্রতিরোধক্ষম জাত উদ্ভাবন করা হয়েছে৷ ছত্রাক ও ব্যাকটেরিয়া দ্বারা ফসল আক্রানত্ম হলে পেস্টিসাইড দিয়ে দমন করা যায়৷ কিন্তু ভাইরাস দ্বারা আক্রানত্ম হলে দমন করা যায় না৷ এজন্য বিজ্ঞানীরা ভাইরাস প্রতিরোধী জাত উদ্ভাবন করেন৷ যে ভাইরাস ফসলের বেশি ক্ষতি করে সে ভাইরাসের জিন কর্তণ করে ফসলের মধ্যে সংযোজন করা হয়েছে৷ এতে ভাইরাস প্রাণির মত টিকার কাজ করে৷ পেঁপে, মিষ্টি মরিচ ও টমেটোর ভাইরাস প্রতিরোধী জিএম জাত উদ্ভাবন করা হয়েছে৷
৫৷ পোকামাকড় প্রতিরোধী জাত উদ্ভাবন করা হয়েছে৷ বিজ্ঞানীরা ইধপরষষঁং ঞযঁত্‍রহমরবহংরং ব্যাকটেরিয়া থেকে কীটবিনাশী প্রোটিন উত্‍পাদনে সক্ষম একটি জিন আলাদা করে ফসলের মধ্যে সংযোজন করে দিয়েছে৷ একে বিটি জিন বলে৷ বিটি জিন সমৃদ্ধ ফসলকে বিটি ফসল বলে৷ বিটি জিন সমৃদ্ধ ফসল হচ্ছে তুলা ও ভুট্টা৷ বিটি তুলার চাষ হচ্ছে ১১টি দেশে৷ বিটি ভুট্টার চাষ হচ্ছে ১৫টি দেশে৷ চীনে বিটি ধানের চাষ শুরু হয়েছে৷ এছাড়াও তামাক, সরিষা ও টমেটোতে বিটি জিন প্রবেশ করানো হয়েছে৷
৬৷ আগাছা প্রতিরোধী ফসলের জাত উদ্ভাবন করা হয়েছে৷ বিজ্ঞানীরা ব্যাকটেরিয়া থেকে জিন সংগ্রহ করে ফসলের ডিএনএতে এবহবঃরপ ঊহমবহববত্‍রহম পদ্ধতিতে ঢুকিয়ে দিয়েছে৷ এই জিন এনজাইম তৈরি করে আগাছা নাশ করে৷ সয়াবিন, ভুট্টা, ক্যানোলা, তুলা, সুগারবিট ও আলফা আলফা৷ আগাছা প্রতিরোধী ভুট্টা ৮টি দেশে এবং সয়াবিন চাষ হচ্ছে ১১টি দেশে৷
৭৷ নাইট্রোজেন আবদ্ধকারী ফসলের জাত উদ্ভাবন করা হয়েছে৷ ডাল ও শিম জাতীয় উদ্ভিদের মত অন্যান্য ফসলের গাছে গুটি তৈরি এবং বাতাস থেকে নাইট্রোজেন আবদ্ধ করার জাত উদ্ভাবন করা হয়েছে৷ এতে এসব উদ্ভিদে ইউরিয়া সার লাগবে না৷ ধানের এরকম জাত সমপ্রতি উদ্ভাবন করা হয়েছে৷ রাইজোবিয়াম ব্যাকটেরিয়া থেকে নফজিন সংগ্রহ করে যে গাছে প্রবেশ করানো হবে সেই গাছ বাতাস থেকে নাইট্রোজেন আবদ্ধ করতে পারে৷
৮৷ খাদ্যের পুষ্টি সংযোজন করা হয়েছে জিই পদ্ধতিতে৷ ব্রিধান ২৮ এবং ব্রিধান ২৯ এর মধ্যে ডেফোডিল ফুল থেকে সংগ্রহ করা ভিটামিন ‘এ’ তৈরির ৩টি জিন সংযোজন করেছে বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট ও আনত্মর্জাতিক ধান গবেষণা ইনষ্টিটিউট৷ এটাকে বলে গোল্ডেন রাইস৷ প্রথম এটি করে সুইজারল্যান্ডে৷ এ ধানের ভাত খেলে অন্ধত্ব নিবারন ও ভিটামিন ‘এ’ এর চাহিদা পূরণ হবে৷
জিএম ফুডে স্বাস্থ্যগত সমস্যা
জিএম ফুড স্বাস্থ্যসম্মত কিনা এনিয়ে মতভেদ দেখা দিয়েছে৷ বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডঐঙ) ও খাদ্য ও কৃষি সংস্থা (ঋঅঙ) এর একটি বিশেষজ্ঞ প্যানেল এ বিষয়ে গবেষণা করছে৷ ডঐঙ কিছু জিএম খাদ্যের অনুমোদন দিয়েছে, কিছু দেয়নি৷ জিএম ফুডের অতিরিক্ত জিন দেহের পাকস্থলী কিংবা তন্ত্রের উপর হজমে ব্যাঘাত ঘটাতে পারে৷ বিশেষ করে জিএম ফুডে এন্টিবায়োটিক প্রতিরোধী জিন অনুপ্রবেশ করালে দেহের এন্টিবডি বা উপকারী ব্যাকটেরিয়ার উপর নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে৷ ডিএনএ বা জিনের জন্মগত থেকে পরিবর্তিত বৈশিষ্ট্যের জিন জিএম ফুডের মাধ্যমে মানবদেহে প্রবেশ করে সঞ্চিত হতে থাকলে স্বাস্থ্যগত সমস্যা হতে পারে৷ ঋঅঙ এর মতে, জিএম ফসল উত্‍পাদনে অতিরিক্ত রাসায়নিক সার ও কীটনাশক প্রয়োগের ফলে জিএম ফুডে বিষাক্ত পদার্থ থাকে৷ ফলে জিএম খাদ্য খেলে প্রজননক্ষমতা হ্রাস, শিশুর জন্মগত ত্রুটি, কিডনিতে সমস্যা, যকৃতে সমস্যা, ক্যান্সার ইত্যদি জটিল রোগ হতে পারে৷ গবেষণায় দেখা গেছে- জিএম ফুডে ঢুকানো অন্যজীবের জিন মানুষের পাকস্থলী ও অন্ত্রে হজম হয় না৷ কখনো রক্তের মাধ্যমে জন্মগত ডিএনএ-এর সাথে মিশে গিয়ে আচরণের পরিবর্তন আনে৷ এতে ক্যান্সারের ঝুঁকি ১০০ ভাগ বেড়ে যায়৷ যদিও বায়োটেকবিদরা বলছেন- এই জিন প্রোটিন আকারে হজম না হয়ে মলের সাথে বের হয়ে যায়৷ জিএম ফুডের নতুন জিন এলার্জি তৈরি করতে পারে বা জিএম ফুড এর ভাইরাস ভেক্টর মানবদেহে ভয়ঙ্কর রোগ সৃষ্টি করতে পারে৷
জিএম ফসলের জিন সনাতন একই জাতীয় ফসলে স্থানানত্মরিত হলে কিংবা জিএম ফসলের বীজের সাথে সনাতন ফসলের বীজের সংমিশ্রণ হলে পরোভাবে তা খাদ্য নিরাপত্তায় সমস্যা হতে পারে৷ প্রাণীর জিন উদ্ভিদে ঢোকানোতে জিএম ফুড ভেজিটেরিয়ান ডাইটে বিরূপ প্রভাব পড়তে পারে৷ এতে মানবদেহের রোগ প্রতিরোধ মতা কমে যাবে৷ জিএম ফুডে এন্টিবায়োটিক প্রতিরোধী জিন ব্যবহার করা হয়৷ জিএম ফুড খেলে এন্টিবায়োটিক প্রতিরোধ হতে পারে৷ ফলে এন্টিবায়োটিক দেহে কাজ করবে না৷
গবেষণায় দেখা গেছে- জিএম ফুডে ভিটামিন-সি, ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, লৌহ ও ক্রোমিয়াম কম থাকে৷ ৩০ শতাংশ পুষ্টি কম থাকে এবং স্বাদও কম৷
জিই এর একটি মারাত্মক সমস্যা হচ্ছে- কৃষকরা এই বীজ উত্‍পাদন করতে পারবে না৷ ফলে বিদেশি বীজ কোম্পানীর উপর সম্পূর্ণ নির্ভরশীল থাকতে হবে৷ জিএম ফুড উত্‍পাদন বেড়ে গেলে দেশীয় ফসলের জাত বিলুপ্ত হবে এবং দেশ বীজ শূন্য হবে৷ এতে বিদেশী বীজ কোম্পানী বীজের দাম ইচ্ছে মত বেশি নিতে পারে৷ বীজ না দিলে দেশের কৃষি উত্‍পাদন বন্ধ থাকবে৷ অপরদিকে, জিএম ফসল উত্‍পাদনে সার ও কীটনাশক বেশি লাগে বলে ক্যামিক্যাল কোম্পানীগুলো উচ্চমূল্যে এগুলো বিক্রি করবে৷
জিএম ফুড নিয়ে সারা বিশ্বে বির্তক
জিএম ফুডের ভালো ও মন্দের উপর ভিত্তি করে সারা বিশ্বে কৃষিবিদ, পরিবেশবিদ বিজ্ঞানী, বিশেষজ্ঞ, কৃষক ও খামার মালিক, বীজ ও ক্যামিক্যাল কোম্পানীরা দ্বিধাবিভক্ত৷ ইতোপূর্বে শতাধিক দেশের সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা জিএম ফসল উত্‍পাদন বন্ধের দাবীতে ফিলিপাইনের ম্যানিলায় কনভেনশন করে৷ এছাড়াও বিভিন্ন দেশে পক্ষেবিপক্ষে যুক্তি প্রমাণ উপস্থাপন করছে৷ বাংলাদেশেও পক্ষেবিপক্ষের দুটো গ্রুপ রয়েছে৷ বেশ কিছু দেশে জিএম ফুড ও জিই বীজ আমদানি ও উত্‍পাদন নিষিদ্ধ করেছে৷ জিএম ফুডের পরে দল বলছেন- বিশ্বকে ক্ষুধামুক্ত করতে জিএম ফুডের বিকল্প নেই৷ বিপরে দল বলছেন- জিএম ফুড স্বাস্থ্য ও পরিবেশের জন্য হুমকিস্বরূপ এবং কৃষকরা বীজ উপাদন করতে পারেনা বলে বীজ কোম্পানীর উপর নির্ভরশীল থাকবে৷ জিএম ফুডের দু’দলই শক্তিশালী ও ভারী হচ্ছে৷
বাংলাদেশে জিএম ফুড ও ফসল
বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট বেগুনের ফল ছিদ্রকারী পোকা প্রতিরোধের জন্য ভারতের বিটি জিন সমৃদ্ধ বেগুনের সঙ্গে বাংলাদেশের ৯টি বেগুনের জাতের সংকরায়ণ করে বিটি জিনকে আমাদের জাতগুলোতে স্থানানত্মর করা হয়েছে৷ আলুর লেইট ব্লাইট প্রতিরোধের জন্য আরবি (জই) জিন গোলআলুর কাটাহাডিন জাতে সংযোজন করা হয়েছে৷ এগুলোর জাত উদ্ভাবনে অনুমতি পেয়েছে৷ ভাইরাস প্রতিরোধী জিএম পেঁপে নিয়ে গবেষণা হচ্ছে৷ বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট ভিটামিন ‘এ’ সমৃদ্ধ গোল্ডেন রাইস ও ডায়াবেটি্স প্রতিরোধী জিএম ধানের জাত উদ্ভাবন করেছে৷ এগুলো এখনো কৃষক পর্যায়ে যায় নি৷ খরা ও লবণাক্ততা সহিষ্ণু জিএম ধানের জাত উদ্ভাবনের জন্য ব্রি বিজ্ঞানীরা গবেষণা করছেন৷ সয়াবিন তেল, গুঁড়োদুধ, ভুট্টাসহ বেশ কিছু জিএম ফুড আমাদের দেশে আমদানি করা হচ্ছে৷
জিএম ফুডের ভালো-মন্দ দুটো দিকই আছে৷ আমাদের দেশের আর্থ-সামাজিক প্রেক্ষাপটে জিএম ফুড গ্রহণযোগ্য হবে কিনা সেটাই বিবেচনার বিষয়৷ যেহেতু প্রযুক্তিটি জটিল সেহেতু দেশের কৃষকরা অধিকাংশই অশিক্ষিত হওয়ায় এই বীজ উত্‍পাদন করতে পারবে না৷ বীজের জন্য অন্য দেশের উপর নির্ভর করতে হবে৷ জিএম ফসলে প্রাকৃতিকভাবে সৃষ্ট জেনেটিক কোড পরিবর্তন করায় প্রাকৃতিক ভারসাম্য হারানোর সম্ভাবনা রয়েছ৷ জিএম ফুড স্বাস্থ্য ও পরিবেশগতভাবে মানব দেহের জন্য নিরাপদ নিশ্চিত হলে বীজ উত্‍পাদনের নিশ্চয়তা পেলে দেশে জিএম ফসল চাষাবাদ ও বিক্রি অনুমোদন দেয়া যেতে পারে৷

(লেখক : কৃষি প্রাবন্ধিক)
প্রভাষক, কৃষি শিক্ষা
শহীদ জিয়া মহিলা কলেজ, ভূঞাপুর, টাঙ্গাইল৷
মোবাইল : ০১৭১১-৯৫৪১৪৩

FacebookTwitterGoogle GmailEmailYahoo MailYahoo MessengerShare

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *