জৈব সার ব্যবহারের আগ্রহ বাড়ছে ঘাটাইলের কৃষকদের

এ কিউ রাসেল

 

পরিবর্তে জৈবসার, মেহগনি গাছের তেল ও খৈল ব্যবহার করছেন ঘাটাইল উপজেলার রতনবরিষ গ্রামের কৃষকরা। এ পদ্ধতিতে চাষাবাদে উৎপাদন খরচ কম। একদিকে ফসল উৎপাদন হয় বেশি ও উৎপাদিত সবজি বিষমুক্ত হওয়ায় গ্রাহক চাহিদা বেশি বলে জানালেন কৃষকরা।

সরেজমিনে ঘাটাইলের দেউলাবাড়ি ইউনিয়নের রতনবরিষ গ্রামে গেলে জৈব সার ব্যবহারকারি সফল চাষি ইউসুফ মিয়া ও মো. মোখলেছুর রহমান বলেন, আমরা রাসায়নিক সারের পরিবর্তে জৈবসার, মেহগনি গাছের তেল ও খৈল ব্যবহার করছি। এতে চাষাবাদে খরচ যেমন কমে, তেমনি সবজি হয় বিষমুক্ত। আবার বিষমুক্ত সবজির চাহিদাও বাজারে বেশি থাকে। ফলে এ সবজি বিক্রি করে লাভও বেশি পাওয়া যায়।

কৃষাণি সোমা বেগম বলেন, সুস্থভাবে বেঁচে থাকার জন্য বিষমুক্ত সবজি খাওয়া খুবই জরুরি। সেজন্যই আমরা এখন থেকে বিষমুক্ত চাষের সিদ্ধান্ত নিয়েছি। এছাড়া বিষমুক্ত উপায়ে চাষাবাদে সবজির উৎপাদনও বাড়ে, আবার লাভও বেশি হয়।

বিষমুক্ত সবজি চাষে কৃষক দিন দিন আরও আগ্রহী হচ্ছেন। কারণ, এ পদ্ধতিতে চাষের ফলে সবজি যেমন বিষমুক্ত হয়, তেমনি রাসায়নিক সার ব্যবহার না করার জন্য তুলনামূলক খরচও কম হয়। আর সেজন্য ঘাটাইল উপজেলার রতন বরিষ গ্রামের কৃষকরা বিষমুক্ত সবজি চাষে আগ্রহী হয়ে উঠেছেন বলে এ এলাকার চাষিরা দাবি করেন।

জৈব সার

বিষমুক্ত সবজি উৎপাদনের নানা বিষয় নিয়ে উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর ও মাঠ পর্যায়ে কর্মরত উপ-সহকারি কৃষি অফিসাররা এখানকার কৃষক-কৃষাণিদের পরামর্শ, প্রশিক্ষণ ও উদ্বুদ্ধ করে যাচ্ছেন। শুধু মাঠে নয়, এ গ্রামের চাষিরা এ পদ্ধতিতে সবজির চাষ করছেন বাড়ির আঙিনায়, পুকুরপাড়ে কিংবা পতিত জমিতেও।

স্থানীয় সার ব্যবসায়ী হোসেন আলি বলেন, জৈবসার ব্যবহারের ফলে রাসায়নিক সারের বিক্রি কমছে। এতে আমরা খুশি। কারণ সুস্থভাবে বেঁচে থাকার জন্য বিষমুক্ত খাদ্য খাওয়া আমাদের জন্য খুবই জরুরি।

————————————–

লেখক :

সাংবাদিক ও মানবাধিকার কর্মী, গোপালপুর, টাঙ্গাইল।

FacebookTwitterGoogle GmailEmailYahoo MailYahoo MessengerShare

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *