দিন দিন বাড়ছে বায়োটেক ফসলের চাষ

বর্তমানে বিশ্বে ১৭০ মিলিয়ন হেক্টর জমিতে বায়োটেক (জিএম) ফসল চাষ হচ্ছে। যেখানে ১৯৯৬ সালে মাত্র ১.৭ মিলিয়ন হেক্টর জমিতে জিএম শস্য চাষ হতো। লাভজনক হওয়ার জিএম চাষাবাদ দিন দিন বাড়ছে। বিশ্বের ৩০ টি দেশে প্রায় দেড় দশক ধরে কম ঝুঁকি, দীর্ঘ মেয়াদী আর্থ-সামাজিক ও পরিবেশগত উপকারের জন্যই বায়োটেক ফসল বৃদ্ধি পাচ্ছে। বায়োটেক ফসল হিসেবে সয়াবিন, ভুট্রা, তুলা, ক্যানোলা, বেগুন ইত্যাদি প্রসার লাভ করছে। বিতর্কের অবসান ঘটিয়ে সঠিক নিয়ম মেনে বায়োটেক ফসল অচিরেই বাংলাদেশে জায়গা করে নিবে। সম্প্রতি ময়মনসিংহে অবস্থিত বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে (বাকৃবি) এক বৈজ্ঞানিক সেমিনারে বায়োটেক বিজ্ঞানীরা ওইসব কথা বলেন।

‘খাদ্য নিরাপত্তায় জিএম শস্যের অবদান’ বিষয়ে বৈজ্ঞানিক সেমিনার ও বইয়ের মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বাকৃবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. রফিকুল হক। সুমিত্রা সাহা সুমির পরিচালনায় সেমিনারে জিএম শস্যের বর্তমান অবস্থা ও জৈবনিরাপত্তা নিয়ে প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বায়োটেক বিজ্ঞানী ড. জি পি দাস, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জীব বিজ্ঞান অনুষদের ডীন অধ্যাপক ড. ইমদাদুল হক এবং আইসার জাতীয় সমন্বয়ক অধ্যাপক ড. কে.এম. নাসিরউদ্দিন। বায়োটেক ফসলের সম্ভাবনা রেখে অনুষ্ঠানের সমাপনী বক্তব্য দেন বাকৃবির কৃষি অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. আব্দুল খালেক পাটোয়ারী।

মো. শাহীন আলম

বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, ময়মনসিংহ।

FacebookTwitterGoogle GmailEmailYahoo MailYahoo MessengerShare