বাংলাদেশের বিজ্ঞানীর নতুন আবিষ্কার

ডারউইনের থিওরী  (প্রাকৃতিক নির্বাচন) ডারউইনের নিজের নয়- ম্যালথাসও লাইয়েল-এর থিওরীর মিশ্রণ

ড. আব্দুল আহাদ

কৃষিবার্তা ডেস্ক:

পৃথিবীর সবচেয়ে বড় বিজ্ঞানী আইনস্টাইন ও ডারউইন। এই দুইজন বিজ্ঞানীর নাম শোনেনাই এমন শিক্ষিত লোকের সংখ্যা খুব কম। ডারউইনের ধারণা ও তার নাম জীব বিজ্ঞানের রন্ধে রন্ধে, পাতায় পাতায়। এ পর্যন্ত বিবর্তন বিরোধী বা ডারউন বিরোধী কোন গবেষণা প্রবন্ধ কোন বিজ্ঞানী জার্নালে প্রকাশ করতে সমর্থ হয় নাই। কিন্তু একমাত্র হাবিপ্রবি প্রফেসর ড. মোঃ আব্দুল আহাদ ৪টি গবেষণা প্রবন্ধ ২ টি বিখ্যাত জার্নালে প্রকাশ করতে সমর্থ হয়েছেন।

১লা মে ২০১৪,  ড. মোঃ আব্দুল আহাদ আবিষ্কার করেছেন ডারউইনের থিওরী তার নিজের নয়। তার ১১ পৃষ্ঠার গবেষণা প্রবন্ধটি নিউইয়র্ক থেকে প্রকাশিত অসবৎরপধহ ঔড়ঁৎহধষ ড়ভ ষরভব ংপরবহপব এ প্রকাশিত হয়েছে। বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে যখন ডারউইন দিবস পালন হচ্ছে তখন এমন একটি আবিষ্কার বিশ্বের বিভিন্ন দেশের বিজ্ঞানিদের ভাবিয়ে তুলেছে। বিষয়টি এড়ড়মষব, ঋধপবনড়ড়শ, ঞরিঃ:বৎ আলোড়ন সৃষ্টি করেছে। প্রফেসর ড. মোঃ আব্দুল আহাদ তার গবেষণা প্রবন্ধে শিরোনাম হলো- ডারউইনের থিওরী ম্যালথাস (অর্থনীতিবিদ) ও লাইয়েল (ভূতত্ত্ববিদ্যার জনক) থিওরীর মিশ্রণ এবং বিবর্তনের কৌশলের ব্যাখায় ল্যার্মাকের ভুল থিওরী এবং নিজের ব্যক্তিগত বিশ্বাস ব্যবহার করেছেন। ম্যালথাসের থিওরী হলো- মানুষ জ্যামিতিক হারে (২, ৪, ৮, ১৬….) বৃদ্ধি পায় করে কিন্তু খাদ্য উৎপাদন গাণিতিক হারে (১, ২, ৩, ৪, ৫….) বৃদ্ধি পায়, ফলশ্রুতিতে সংগ্রাম, প্রতিযোগিতা, রোগ, মহামারী প্রভৃতি দেখা দেয়। লাইয়েলের তত্ত্ব হলো- মানুষের অগচরে পৃথিবী প্রাকৃতিক চাপে (হধঃঁৎধষ ভড়ৎপবং) কোটি কোটি বছর ধরে অত্যন্ত ধীর গতিতে (মৎধফঁধষষু) বিবর্তন হয়ে বর্তমান অবস্থায় পৌছেছে। ডারউইন ম্যালথাসের থিওরীর মানুষের স্থলে ‘সমস্ত জীব’ (ধষষ ষরারহম ড়ৎমধহরংসং) এবং লাইয়েলের থিওরীর পৃথিবীর স্থলে ‘জীবিত জীব’ (ষরারহম ড়ৎমধহরংসং) ব্যবহার করে ‘প্রাকৃতিক নির্বাচন’ সংশ্লেষণ করে এবং লাইয়েলের থিওরী র হধঃঁৎধষ ভড়ৎপবং কে হধঃঁৎধষ ংবষবপঃরড়হ  নাম দিয়েছেন।

প্রাকৃতিক নির্বাচনে ব্যাখ্যা করতে যেয়ে/ বিবর্তনের কৌশলের ব্যাখায় ডারউইন তার ‘অরিজিন অব স্পেসিস’ বইয়ে ল্যার্মাকের ভুল থিওরী ৪১ বার এবং ”ডিসেন্ট অব ম্যান’ বইয়ে ১৫ বার ব্যবহার করেছেন। আমি বিশ্বাস করি ‘অরিজিন অব স্পেসিস’-এ ৩৭২ বার  এবং ডিসেন্ট অব ম্যান’-এ ২৬৪ বার ব্যবহার করেছেন। যেহেতু বিশ্বাস  বিজ্ঞান নয়, কারণ আল্লাহকেও বিশ্বাস করা বিজ্ঞান নয়। সুতরাং  ডারউইনের থিওরী/ বিবর্তন বিজ্ঞান নয়।

প্রমাণ হিসেবে ১৮৫৮ সালে বিট্রিশ জুলোজি জার্নালে প্রকাশিত ডারউইনের প্রবন্ধ, ডারউইনের বই ‘অরিজিন অব স্পেসিস, ডিসেন্ট অব ম্যান তার আত্মজীবনী ম্যালথাস-এর ‘প্রিন্সিপল অব পপুলেশন’, লাইয়েল-এর ‘প্রিন্সিপল অব জিওলোজি’ ল্যার্মাকের ‘চযরষড়ংড়ঢ়যরব তড়ড়ষড়মরয়ঁব সহ  ৪০টি ইংরেজি পুস্তকের পৃষ্ঠা নম্বর, সাল, প্রকাশক সহ তুলে ধরেছেন। ডারইউনের থিওরীর এই বহুল আলোচিত ও ব্যবহৃত বক্তব্য ংঁৎারাধষ ড়ভ :যব ভরঃ:বং:  অর্থাৎ যোগ্যতমরা টিকে থাকে ডারউইনের নিজের নয়, ব্রিটিশ সমাজবিজ্ঞানীর হার্বাট স্পেনসারের। তিনি আরও প্রমান করেছে ডারইনের প্রাকৃতিক নির্বাচনে ছয়জন বিশ্ববিখ্যাত ব্যক্তি সরাসরি জড়িত যেমন ডারইউন, ম্যালথাস, লাইয়েল, ওয়ালেস, ল্যামার্ক ও স্পেনসার। কিন্তু এর মধ্যে শিক্ষগতভাবে (একাডেমিকভাবে) ডারউইন (ধর্মে বি.এ. পাশ) ও ম্যালথাস পাদ্রী বা ধর্মযাজক, লাইয়েল, শিক্ষাগতভাবে উকিল এবং স্পেনসার সমাজবিজ্ঞানী। শুধু ওয়ালেস ও ল্যামার্ক বিজ্ঞানী। ড. আব্দুল আহাদের প্রবন্ধটি (www.sciencepublishinggroup.com) ওয়েব সাইটে পাওয়া যাচেছ। ড. আব্দুল আহাদ ২০১১ সালে নিও-ডারউইন (হবড়-উধৎরিহরংস)’ থিওরী ভুল, ল্যার্মাকের থিওরী ভুল ও ডারউইন কতৃক তার ব্যবহার এবং ওপরিন-হ্যান্ডেল থিওরী ভুল প্রমান করেছিল যা ভারত  -এ প্রকাশিত হয়েছিল। ড. আব্দুল আহাদ ২০ বছর ধরে এই গবেষণায় রত।

 

FacebookTwitterGoogle GmailEmailYahoo MailYahoo MessengerShare

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *