বীজ অঙ্কুরিত হয়ে ফসল প্রদান করে আল্লাহর নির্দেশে

ড. মো. আবু বকর*

আল্লাহ রাব্বুল আলামীনের সমগ্র সৃষ্টি জগতের সবচেয়ে উন্নত এবং উৎকৃষ্ট সৃষ্টি হচ্ছে মানুষ। মানুষকে যেমনি সুন্দর আকৃতি ও অবয়ব দিয়ে সৃষ্টি করা হয়েছে তেমনি জ্ঞান বুদ্ধিমত্তা ও ধী শক্তিতেও করা হয়েছে সর্বশ্রেষ্ঠ। আর সেজন্যই পৃথিবীতে মানুষকে করা হয়েছে বিরাট মর্যাদার অধিকারী, প্রদান করা হয়েছে দুনিয়ায় তাঁরই প্রতিনিধিত্বের বা খেলাফতের মর্যাদা। এ খেলাফতের দায়িত্ব পালনের উপযোগী করে গড়ে তোলার জন্য মানুষকে প্রদান করা হয়েছে উপযুক্ত প্রশিক্ষণ এবং এ প্রশিক্ষণ প্রদানের জন্য যুগে যুগে তাঁরই সরাসরি তত্বাবধানে পরিচালিত ও প্রেরিত হয়েছেন প্রশিক্ষকগণ। তারা হলেন নবী রসুল বা পয়গম্বর। তাঁরা এসে মানুষকে সঠিক প্রশিক্ষণে প্রশিক্ষিত করেছেন। এ ক্ষেত্রে তারা আল্লাহর নির্দেশিত পথ ও সীমানার বাহিরে কখনও বের হওয়ার চেষ্টা করেননি বরং এর সমাধান মানুষ ও সমগ্র বিশ্বের সকল সৃষ্টির মহান স্রষ্টা আল্লাহ রাব্বুল আলামীনের কাছ থেকেই পাওয়ার আশা করেছেন। এ প্রসংগে পবিত্র কোরআনুল কারীমে উল্লিখিত হয়েছে “ওয়ামা ইয়ানতিকু আনিল হাওয়া ইন্হুয়া ইল্লাওয়াহইয়ূই ইউহা আ’ল্লামাহু শাদীদুল ক্বুওয়া (সুরা আন নাজম আয়াত ৩-৫)। অর্থাৎ তিনি কখনও নিজের থেকে কোন কথা বলেন না বরং তা হচ্ছে ওহী যা তার কাছে প্রেরণ করা হয়। তাঁকে এটা শিখিয়ে দিয়েছেন এমন একজন ফেরেশতা যে প্রবল শক্তির অধিকারী।

উদ্ধৃত আয়াত তিনটিতে শেষ নবী হযরত মোহাম্মদ (সাঃ) এর কথোপকথন বিষয়ে উল্লেখ করা হয়েছে যে, কোন বিষয়ে সিদ্ধান্তকারী কোন মতামত কখনও তিনি নিজের জ্ঞান ও বুদ্ধিমত্তা থেকে পেশ করেননি বরং তিনি তা করেন আল্লাহর প্রেরিত নির্দেশনা থেকে যা তাকে শিখিয়েছেন আল্লাহ তায়লা তাঁরই সৃষ্ট সম্মানিত ফেরেশতা জিবরাইল (আঃ) এর মাধ্যমে। ফলতঃ তা হয় একশ ভাগ নির্ভুল এবং নির্ভরযোগ্য।

মহান আল্লাহ যেমনি মানুষ সৃষ্টি করেছেন তেমনি তার চলার পথ নির্দিষ্ট করে দিয়েছেন। মানুষের জন্য ঐ নির্ধারিত পথ ব্যতীত সফলতা অর্জনের কোন বিকল্প পথ নেই। মানুষ যদি সেই পথ ধরে তার গন্তব্য ও লক্ষ্যের দিকে এগিয়ে যায় তা হলেই সাফল্য লাভ হতে পারে; বিপরীত ও বিকল্প পথে প্রচেষ্টা নিয়োজিত করা সময় অপচয় ছাড়া আর কিছুই লাভ করার সম্ভাবনা নেই।

মানুষ সৃষ্টির পরিকল্পনায় মহান আল্লাহ এ পৃথিবীকে মানুষের বাস উপযোগী করে তৈরি করলেন। এ জন্য সৃষ্টি করলেন অগণিত সবুজ বৃক্ষ তরুলতা ও গাছ গাছালী। এ সবুজ শ্যামল প্রকৃতিকে মানুষের বাস উপযোগী রাখতে নির্ধারণ করে দিলেন বংশ পরম্পরা। এর কতকের জন্য নির্দিষ্ট করলেন অঙ্গজ বংশ বৃদ্ধি আবার কতকের মধ্যে থেকে আবির্ভাব ঘটালেন বীজের। এ গাছ গাছালীর মধ্যে একাংশকে নির্ধারিত করলেন মানুষের খাদ্য সরবরাহের উৎস রূপে। কিছু হলো ছায়াদান ও বাসস্থান নির্মানের সামগ্রী আবার কিছু হলো গৃহপালিত ও অন্যান্য জীবজন্তুর খাদ্য।

শুরুতেই উল্লিখিত হয়েছে যে মানুষ হলো আল্লাহ রাব্বুল আলামীনের সেরা ও সর্বোৎকৃষ্ট সৃষ্টি। আল্লাহ তায়ালা তাঁর এ সৃষ্টি জগতে মানুষের জন্য প্রয়োজনীয় যে সব জীবনোপকরণ সৃষ্টি করে ছড়িয়ে ছিটিয়ে রেখেছেন তা সনাক্ত করে সঠিক পদ্ধতিতে মানুষের জীবন ধারনের জন্য কাজে লাগানোই প্রকৃত পক্ষে মানুষের কাজ। আর এ জন্যই মানুষ তার বুদ্ধিমত্তাকে ব্যবহার করে জীবন পরিচালনার সামগ্রী সনাক্ত করেছে এবং ক্ষেত্র বিশেষে তার উৎকর্ষ সাধন করেছে। জীবন ধারনের জন্য খাদ্য মানুষের সর্বপ্রথম চাহিদা। তাই যে সকল বৃক্ষ, লতা গুল্ম ও অন্যান্য গাছ গাছালী মানুষের খাদ্যের প্রয়োজন মিটায় সে গুলোর দিকেই মানুষের প্রথম ও প্রাথমিক প্রচেষ্টা নিয়োজিত হয়েছে। মানুষের প্রচেষ্টার ফলে এবং প্রাকৃতিক অর্থাৎ খোদা প্রদত্ত কার্যকারন পর্যবেক্ষণ ও পরীক্ষণের মাধ্যমে মানুষ তার খাদ্যের সংস্থানের বেশ কিছু উপায় উপকরণ আয়ত্ব করতে পেরেছে। এরই কার্যপরম্পরায় মানুষ বুঝতে পেরেছে যে খাদ্য শস্য উৎপাদন ও বৃক্ষলতাদীর বংশ বৃদ্ধি ও বিস্তারে এবং বংশগতি নির্ধারণে বীজ একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ উপকরণ যার প্রতি যথেষ্ট যতœবান হওয়া প্রয়োজন।

এ জন্য মানুষ বীজের উৎকর্ষ সাধনের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট শস্যের গুনাগুণ ও উৎকর্ষ বৃদ্ধি করেছে। এ প্রচেষ্টায় সাফল্য অর্জনের ফলে মানুষ যেন এ ফল ফসল ও বীজের স্রষ্টা ও প্রকৃত উৎকর্ষ প্রদানকারী মহা পরাক্রমশালী আল্লাহ তায়ালাকে তার সুপ্রীম ও সর্বময় ক্ষমতার আসনে চিন্তা করতে ভুলে না যায় সে জন্য মানুষকে সতর্ক করেছেন। এ প্রসংগে কোরানে হাকীমের সুরা আলওয়াকেয়ায় মানুষকে লক্ষ্য করে বলেন, আফারাআইতুম মা তাহ্রুছুন আ-আনতুম তাঝরাউনাহু আম্ নাহুনুজ্ ঝারিউন। লাওনাশাউ লাযায়ালনাহু হুতোয়ামান ফাযোয়ালতুম তাফাক্কাহুন। ইন্ন্যা লামোঘরামুন বাল নাহনু মাহরূমূন। আফা রায়াইতুমুল মা আল্লাজী তাশরাবূন। আ আনতুম আনঝালতুমূহু মিনাল মুজনি আম নাহনুল মুনজিলূন। লাওনাশাউ যাআলনাহু উজ্বজ্বান ফালাওলা তাশকুরুন। আফা রাআইতুমুন্নারাল্লাতী তূরুন। আ আনতুম আন শা’তুম শাজারাতাহা আম নাহনুল মুনশিউন। নাহনূ যা’আলনাহা তাজ্বকিরাতাও ওয়ামাতায়াল্লিল মুক্ববীন। ফাসাব্বিহ বিসমি রাব্বিকাল আযীম। (সুরা আলওয়াক্বেয়া:  ৬৩-৭৪)

অর্থাৎ তোমরা জমিতে যে বীজ বুনে আস সে সম্পর্কে কি কখনও চিন্তা করে দেখেছো? তা থেকে ফসলের উৎপাদন কি তোমরা কর না আমিই তার উৎপাদনকারী? অথচ আমি যদি চাই তাহলে (অঙ্কুরিত/অনঙ্কুরিত সব) বীজ খড়কুটায় পরিণত করে দিতে পারি, আর তা দেখে তোমরা হতভম্ব হয়ে পড়বে। (তোমরা বলতে থাকবে, হায়!) আজ তো আমাদের সর্বনাশ হয়ে গেলো। আমরা তো (ফসল থেকে আজ) বঞ্চিত ই থেকে গেলাম! কখনও তোমরা সেই পানি সম্বন্ধে চিন্তা করে দেখেছো যা তোমরা সর্বদা পান করে থাকো? (বলতে পারো? আকাশের) মেঘমালা থেকে এ পানি কি তোমরা নিজেরা বর্ষণ করো না আমি এর বর্ষণকারী? অথচ আমি চাইলে এ (সুপেয়) পানি লবণাক্ত করে দিতে পারি (পানির এ সুন্দর ব্যবস্থাপনার জন্য) তোমরা কেন আমার কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছোনা? আগুন যা (প্রতিদিন) তোমরা প্রজ্জলিত করে থাকো তা সম্পর্কে কি কখনও ভেবে দেখেছো? তার জ্বালানোর গাছটি কি তোমরা সৃষ্টি করেছো না আমি এর স্রষ্টা? (মূলত) আমিই একে (সভ্যতার) নিদর্শন করে রেখেছি এবং একে ভ্রমণকারীদের জন্য প্রয়োজন পূরণের সামগ্রী বানিয়ে দিয়েছি। অত:পর (হে নবী)Ñ এ সব কিছুর জন্য তুমি তোমার মহান মালিকের নামের মাহাত্ম ঘোষণা করো।

উপরোক্ত আয়াতসমুহে মহান আল্লাহ মানুষের তিনটি নেয়ামতের কথা উল্লেখ করেছেন এবং এ নেয়ামত সমূহ প্রদানে তাঁরই একচ্ছত্র ক্ষমতার কথাও এতে ফুটে উঠেছে। নেয়ামত তিনটির প্রথমটি হচ্ছে, বীজ অঙ্কুরোদগমের ফলে নুতন মহীরূহের আবির্ভাব এবং ফুল ফল ও ফসল সৃষ্টির মাধ্যমে মানুষের খাদ্য ও অন্যান্য জীবনোপকরণের ব্যবস্থা করা। এ লক্ষে মানুষ যে বীজ বুনে তাতে প্রকৃত পক্ষে সুপ্ত এবং লুকায়িত রয়েছে জীবন। বীজ বুনার পর বীজের অঙ্কুরোদগমের জন্য যে ভৌত পরিবেশ দরকার তার সব কয়টি ব্যবস্থা করেও সবগুলি বীজ অঙ্কুরিত হতে দেখা যায়না। অঙ্কুরোদগমের হার কম বেশী হয়ে থাকে। জীব বিজ্ঞানের ভাষায় একে জীবনীশক্তি হারানো (খড়ংং ড়ভ ারধনরষরঃু) কিংবা ক্ষেত্র বিশেষে অঙ্কুরোদগম ক্ষমতা হারানো (খড়ংং ড়ভ মবসরহধনরষরঃু) বলা হলেও এর কারণ নির্ণয়ে যে ব্যবস্থা প্রদান করা হয় তা থেকেই প্রমাণিত হয় যে এ বীজ অঙ্কুরণের ক্ষমতা আল্লাহ তায়ালার হাতেই সংরক্ষিত। মানুষ তার ক্ষমতা দ্বারা কিংবা মানুষের নিজের প্রচেষ্টায় উদ্ভাবিত প্রযুক্তি ব্যবহার করে শত করা একশত ভাগ বীজ অঙ্কুরোদগম করানো সম্ভব হয় না। বীজের ভিতর যে জীবন লুকিয়ে আছে প্রকৃত পক্ষে তা হচ্ছে আল্লাহর নির্দেশ। কুরআনুল কারীমের অন্যত্র বলা হয়েছে, “ইয়াস আলুনাকা আনির রুহু, ক্বুলির রুহু মিন আমরি রাব্বি। ওয়ামা উতি’তুম মিনাল ইলমে ইল্লা ক্বালীলা। অর্থাৎ এরশাদ হচ্ছে হে নবী আপনাকে জিজ্ঞাসা করা হচ্ছে ‘রুহ’ কি জিনিস উত্তরে আপনি বলে দিন ‘রূহ’ হচ্ছে আল্লাহর নির্দেশ। তবে (এ সংক্রান্ত বিষয়ে) আপনাকে নিতান্ত স্বল্পজ্ঞান প্রদান করা হয়েছে।

কোরান শরীফে উল্লিখিত উক্ত নির্দেশনা থেকে জানা যায় যে জীবনের উদ্ভবের ক্ষেত্রে একমাত্র আল্লাহর নির্দেশই হচ্ছে মূল নিয়ামক। অন্য কার্যকারণ জীবনের উদ্ভব নিয়ন্ত্রণ করতে পারে না। এ বিষয়টির প্রতি মানুষের দৃষ্টি আকর্ষণ করে এবং মানুষের জীবন ধারন এবং জীবন পরিচালনার জন্য আরও দুইটি জিনিস পানি ও আগুন সরবরাহে আল্লাহ তায়ালার সরাসরি নিয়ন্ত্রন বিষয়টি সুস্পষ্টভাবে মানুষের সামনে উপস্থাপন করেছেন। মানুষের খাদ্য ও অন্যান্য জীবনোপকরণ সরবরাহের প্রথম পদক্ষেপ হচ্ছে বীজের অঙ্কুরোদগম হওয়া যা একমাত্র আল্লাহ তায়ালাই নিয়ন্ত্রণ করছেন। মানুষ শুধু যথাযথভাবে মাটিতে রেখে আসতে পারে তা থেকে কোন জীবনের উদ্ভব হবে কি না কোন জীবন বিকশিত হবে কি না তার নিয়ন্ত্রণ এর ভার একমাত্র আল্লাহ তায়ালার উপর ন্যস্ত। এ বিষয়টি যাতে মানুষেরা যথাযথভাবে হৃদয়ঙ্গম করতে পারে সে জন্যই আল্লাহ তায়ালা মানুষকে তার প্রচেষ্টার সীমাবদ্ধতার প্রতি ইংগীত দিয়ে জিজ্ঞাসাসূচকভাবে উপস্থাপন করেছেন যে বৃক্ষ তরুলতা কিংবা গাছ গাছালী উদগত করানোর মানসে তোমরা মাটিতে যে বীজ বপন কর কিংবা পূতে রাখো তা থেকে কি তোমরা জীবনের উদ্ভব ঘটাও না আমি তার উদ্ভাবনকারী। এ প্রশ্নের জবাবে মানুষের পক্ষে এ কথা বলা আদৌ সম্ভব নয় যে মানুষ নিজেই তার উদ্ভাবনকারী। কারণ যে সকল বীজ মাটিতে কিংবা মানুষের বিবেচনায় অন্য কোন জীবনের উদ্ভাবনকারী খাদ্যে রাখা হয় তার সবকটি (বৃহৎ পরিসরে) কখনও অঙ্কুরিত হয়না এবং জীবনেরও উদ্ভব ঘটায়না। এ পর্যায়ে একটি বিষয় স্পষ্ট করা প্রয়োজন যে এ মহাবিশ্ব সৃষ্টি ও ব্যবস্থাপনায় এর স্রষ্টা ও লালন পালনকারী আল্লাহ তায়ালা সৃষ্টিগত কিছু বিধান ও নিয়ম নীতি নিদৃষ্ট করে দিয়েছেন। সৃষ্টি জগৎ এ বিধান দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হবে এটা স্রষ্টাই নির্ধারণ করে দিয়েছেন। তবে এ স্বাভাবিক নিয়মের ব্যতিক্রমও কখনও ঘটছে এবং তা এজন্য যে এ মহাসৃষ্টির যিনি স্রষ্ট্রা এবং নিয়ন্ত্রক ও ব্যবস্থাপনাকারী তিনিই যে সকল বিষয়ের নিয়ন্ত্রক ও সার্বভৌম ক্ষমতার অধিকারী তা যেন মানুষের সম্মূখে প্রকাশিত হয় এবং এর ফলে মানুষেরা যেন তারই প্রদত্ত বিধান মেনে নিয়ে সে বিধান অনুযায়ী জীবন যাপনে ব্রতী হয়। এতে একদিকে যেমন স্রষ্টার বিধান মানার কারণে তিনি তার সৃষ্ট মানুষের প্রতি সন্তষ্ট থাকবেন অন্যদিকে মানুষ সৃষ্টি হিসাবে স্রষ্টার বিধান অনুযায়ী চলার কারণে তার জীবন পরিচালনার পদ্ধতি হবে নির্ভুল শান্তিপূর্ণ ও সুখময় যা তার দুনিয়ার জিন্দেগী ও আখেরাতের পরিনতিকে করবে কল্যাণকর নিশ্চিত করবে অনন্তকালের সুখের জীবন।

মহান আল্লাহ তার সৃষ্টিজগতে ছড়িয়ে থাকা নিদর্শনসমূহ থেকে সঠিক শিক্ষা গ্রহণ করে তারই বিধান মেনে নিয়ে মানব জাতিকে জিন্দেগী যাপনের তওফীক প্রদান করুন। আমীন! (পূনঃ প্রকাশিত)

————————————–

*লেখকঃ চীফ সায়েন্টিফিক অফিসার ও প্রকল্প পরিচালক (অবসরপ্রাপ্ত), বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট, জয়দেবপুর, গাজীপুর।

FacebookTwitterGoogle GmailEmailYahoo MailYahoo MessengerShare

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *