মানুষকে আল্লাহ তায়ালাই রিযিক প্রদান করেন।

ড. মো. আবু বকর*

 

মানুষের জীবনের সকল কর্ম প্রচেষ্টার প্রথম এবং প্রধানতম লক্ষ্য হচ্ছে মানুষের রিযিকের অšে¦ষণ। মানব জীবনের মৌলিক চাহিদাগুলোর তালিকার সর্বাগ্রেই রয়েছে মানুষের খাদ্যের প্রয়োজনের কথা। ভূমিষ্ট হওয়ার পরপরই তার খাদ্যের প্রয়োজনের কথা জানিয়ে চিৎকার করতে থাকে। আর খাবার পাওয়ার পরই কেবল তার কান্না থামে। মানুষের জন্য এত প্রয়োজনীয় যে খাবার এর চাহিদা মেটাতে প্রভূ পরওয়ার দেগার কি ব্যবস্থা নিয়েছেন তা সকল সৃষ্টির শ্রেষ্ঠ মানুষের একটি বার ভেবে দেখার প্রয়োজনীয়তার কথা কি আদৌ বিবেচনায় নেয়া প্রয়োজন নয়? মানুষ কি শুধু মাত্র ইচ্ছা করলেই তার জন্য প্রচুর পরিমাণে খাদ্যের সংস্থান করতে পারে? না তার জন্য মহাবিশ্বের পরম স্রষ্টা ও প্রতিপালনকারী আল্লাহ তায়ালার অনুমোদন ও নির্দেশনা প্রদান প্রয়োজন আছে? বক্ষমান আলোচনায় তারই যৎকিঞ্চিত উপস্থাপনের চেষ্টা করা হবে।

প্রথমতঃ এ বিষয়টি বুঝে নেয়া দরকার যে মানুষ ও সকল সৃষ্টির রিযিক এর সংস্থানের বিষয়ে আল্লাহ তায়ালার সুস্পষ্ট ঘোষণা রয়েছে তা হচ্ছে এই, “ওয়ামামিন দা বাতিন ফীল আরদ্ধে ইল্লা আ’লাল্লাহি রিজকুহা (সুরা: হুদ, আয়াত নং-৬)”। অর্থাৎ যমীনের উপর বিচরণশীল এমন কোন প্রাণী নেই যার রিযিক (পৌঁছানোর দায়িত্ব) আল্লাহর উপর নেই। এ ঘোষণাটি প্রচারের পর আল্লাহকে ‘রব’ হিসাবে গ্রহণ করেছে এমন কোন মানুষের পক্ষে তার রিযিকের জন্য না উৎকন্ঠিত হতে পারে আর না একেবারেই নির্বিকার থাকতে পারে। কারন মহান আল্লাহ সকল সৃষ্টির স্রষ্টা ও লালন পালনকারী হিসাবে সৃষ্টির সকল প্রকার প্রয়োজন পূরণেরই দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন। আর মানুষেকে ঘোষণা করেছেন সকল সৃষ্টির শ্রেষ্ঠ হিসাবে। কাজেই আল্লাহ তায়ালার ঘোষণা অনুযায়ী মানুষ কোন প্রচেষ্টা ব্যতীরেকেই রিযিক প্রাপ্তির অপেক্ষায় থাকবে তা মানুষের শ্রেষ্ঠ মর্যাদার সাথে আদৌ সঙ্গতিপূর্ন নয়। কারন কোরআনুল কারীমের অন্যত্র আল্লাহ তায়ালা বলেন, “আল লাইসালিল ইনসানে ইল্লা মা সা’য়া”। অর্থাৎ মানুষ কেবল মাত্র তাই অর্জন করবে যার জন্য সে চেষ্টা ও প্রচেষ্টা নিয়োজিত করবে। কাজেই রিযিক প্রাপ্তির জন্য যথাযথ প্রচেষ্টা নিয়োগ একটি গুরুত্বপূর্ন শর্ত। এ শর্ত পূরণ না করে যদি কখনও রিযিক অর্জিত হয় তা সঠিক পদ্ধতিতে অর্জিত হিসাবে বিবেচিত হতে পারে না। এ সত্যটি ঐতিহাসিক দৃষ্টিতে পর্যালোচনা করা যেতে পারেঃ নবী মুসা (আঃ) এর উম্মতগণের মধ্যে ঈসরাইল বংশীয়গণ ছিল খুবই অস্থির ও ধৈর্য্যহীন। তারা তাদের নবীকে হাজারো প্রশ্ন করতো। মুসা (আঃ) তার উম্মতগণের জন্য আল্লাহ তায়ালার কাছে রিযিকের আবেদন করলেন সে পরিপ্রেক্ষিতে আল্লাহ তায়ালা বললেন “ওয়া যোয়াল্লালনা আলাইহিমুল গামামা ওয়া আঞ্জালনা আলাইহিম মান্না ওয়াস্ সা’লওয়া কুলুমিন তোয়াইয়্যেবাতি মা রাযাক্বনাকুম (বাকারা; আয়াত নং-৫৭)।” অর্থাৎ আমি তোমাদের উপর মেঘের ছায়া দান করলাম আর ‘মান্না’ ও ‘সালওয়া’ নামক খাদ্য তোমাদের জন্য প্রেরণ করলাম এবং আমি বললাম সে সব পবিত্র খাবার থেকে তোমরা খাও। কিন্তু মুসা (আঃ) এর সেই দাম্ভিক, অস্থির ও অসহিঞ্চু উম্মতেরা আল্লাহ প্রদত্ত সেই খাবার, যা ছিল ভুনা করা পাখির গোস্তের তৈরি, তাকে  অবজ্ঞা করলো এবং বললো, “ ইয়া মুসা লান নাসবিরা আ’লা তোয়ামিও ওয়াহেদিন, ফাদউলানা রাব্বাকা ইউখরিযলানা মিম্মা তুমবিতুল আরদ্ধ মীম বাক্বলিহা ওয়াকিস্যাই হা ওয়াফুমেহা ওয়া আ’দাসেহা ওয়া বাছোয়ালেহা ক্বালা আতাছতাবদিলুনাল্লাজি ওয়া আদ্না বিল্লাজি হুয়া খাইর , ইহবিতু মিসরান্ ফাইন্না লাকুম মা সাআলতুম (বাকারা, আয়াত-৬১)।” অর্থাৎ (স্মরণ করো ) যখন মুসাকে তারা বলেছিল, হে মুসা (প্রতিদিন) একই ধরণের খাবারের উপর আমরা আর কিছুতেই ধৈর্য্য ধারণ করতে পারতেছিনা, তুমি তোমার “রবের” কাছে বলো যেনো তিনি কিছু ভূমি থেকে উৎপাদিত দ্রব্য-তরিতরকারী পেঁয়াজ, রসুন, ভুট্টা, ডাল উৎপাদন করে দেন, সে বললো তোমরা কি (আল্লাহ তায়ালার পাঠানো) এ উৎকৃষ্ঠ জিনিষের সাথে একটি তুচ্ছ জিনিষকে বদলে নিতে চাও? (যদি তাই হয়) তাহলে তোমরা অন্য কোন শহরে সরে পড়ো, যেখানে তোমাদের এসব জিনিষ যা তোমরা চাইবে তা অবশ্যই পাওয়া যাবে।

ফলে তাদের জীবনে নেমে এলো অপমান জিল্লতি ও দারিদ্র আর তারা আক্রান্ত হলো আল্লাহর গযবে, কারণ এ লোকেরা ক্রমাগতভাবে আল্লাহর আয়াতের মাধ্যমে প্রেরিত নির্দেশকে অস্বীকার করতে থাকলো, আল্লাহর সাথে নাফরমানী ও সীমালংঘন মূলক কাজের ফলে তাদের রিযিক হয়ে গেল কষ্টকর। পক্ষান্তরে, তারা যদি আল্লাহর দেয়া রিযিক এর সদ্ধ্যবহার করতো তবে তারা রিযিক পেতো অত্যন্ত উন্নতমানের তারা তা পেতো অত্যন্ত সম্মান ও মর্যাদার সাথে। ঐতিহাসিক এ ঘটনা নিশ্চিতরূপে প্রমাণ করে মানুষের রিযিক আল্লাহর হাতে এবং তা মানুষের কর্মদ্ধারাই নিয়ন্ত্রিত। মানুষ যদি আল্লাহ তায়ালার প্রেরিত নির্দেশনা মোতাবেক জীবন পদ্ধতি বেছে নেয় তাহলে তার রিযিক অন্বেষণ হয় অত্যন্ত  সহজ এবং তা পাওয়ার সহজ পথ মানুষের সম্মুখে উন্মোচিত হয়। এ প্রসংগে আল্লাহ তায়ালা বলেন, “ওয়ালাও আন্না আহল্াল কোরা আমানাও ওয়াত্তাক্বা লাফাতাহ্না আ’লাইহিম বারাকাতিম মিনাছ ছামায়ি ওয়াল আরদ্ধ।” অর্থাৎ জনপদের লোকেরা যদি আমার দেখানো জীবন যাপন পদ্ধতি অনুসরণ করে চলতো তাহলে আকাশ ও যমীনের সকল বরকতের দুয়ার সমূহ তাদের সম্মুখে খুলে যেতো। কিন্তু অধিকাংশ মানুষ এ বিষয়টির প্রতি বে খবর।  মানুষ তার জীবিকার জন্য কঠোর শ্রমের পথ বেছে নিয়েছে তা নিয়েছে তার ইচ্ছামত। সে তার ¯্রষ্ঠা ও লালন পালনকারী আল্লাহ তায়ালার নির্দেশের ব্যাপারে বেখবর এবং বাধাবন্ধনহীন সে তার মালিকের নির্দেশের কোন তোয়াক্কাই করছেনা। নিজের বিচার বুদ্ধি ও জ্ঞানগরিমাকেই সার্বিকভাবে প্রাধান্য দিয়েছে। অথচ সমগ্র সৃষ্টিলোকের মহান ¯্রষ্ঠা পরম কুশলী ও মহাপরাক্রমশালী আল্লাহ তায়ালা ঘোষণা করেন , “ওয়ামা উতি’তুম মিনাল ইলমে ইল্লা কালীলা। অর্থাৎ তোমাদেরকে আমি নিতান্তই স্বল্পজ্ঞান প্রদান করেছি। এ স্বল্প জ্ঞান প্রাপ্ত মানুষ গুলো যখন মহাজ্ঞানী আল্লাহ তায়ালার নির্দেশিত পথে পা না বাড়িয়ে নিজের জ্ঞানকে প্রাধান্য দিতে শুরু করে তখনই তাদের ভুল পথে এগুনো শুরু হয়ে যায়। ফলত: তাদের জীবন জীবিকা অর্জন ও পরিচালনা হয়ে ওঠে কঠিন থেকে কঠিনতর। কারন সঠিক পথের সন্ধান তাদের জানা থাকে না। তবে কখনও কখনও মানুষ পার্থিব দৃষ্টিতে কল্যাণকর কোন উদ্ভাবনের কাছাকাছি পৌছাতে পারলেও তার সমূদয় পন্থা মানুষের জানা না থাকার কারনে এবং সর্বোপরি তার মালিকের অনুমোদন না থাকার কারনে সে কাজের পুরোপুরি বরকত লাভ তার পক্ষে সম্ভব হয়না।

প্রকৃতপক্ষে মানুষের রিযিক এবং জীবিকা হ্রাস বৃদ্ধি নির্ভর করে মানুষ কতটুকু আল্লাহর নির্দেশের উপর থেকে জীবন পরিচালনা করছে তারই উপর। এ সম্পর্কে পবিত্র কোরআনুল কারীমে আল্লাহ তায়ালা বলেন, “যুয়্যিনা লিল্লাজিনা কাফারুল হায়াতুদ্দুনিয়া ওয়াইয়াছখারুনা মিনাল্লাজিনা আমানু ওয়াল্লাজিনাত্তাক্বাও ফাওকাহুম ইয়াওমাল কিয়ামাতি ওয়াল্লাহু ইয়ারযুকু মাইয়াশা-উ বিগাইরি হিসাব (আলবাকারা; আয়াত নং-২১২)।” অর্থাৎ যারা আল্লাহ তায়ালার নির্দেশনা মানতে অস্বীকার করেছে তাদের জন্য তাদের এ পার্থিব জীবনটাকে খুব লোভনীয় করে সাজিয়ে রাখা হয়েছে। এ লোকেরা যারা আল্লাহর নির্দেশকে মাথা পেতে নিয়েছে তাদেরকে বিদ্রুপ করে অথচ এ ঈমানদার ব্যক্তি- যারা আল্লাহ তায়ালাকে ভয় করে চলেছে শেষ বিচারের দিন তাদের মর্যাদা এদের তুলনায় অনেক বেশী হবে। আল্লাহ তায়ালা যাকে ইচ্ছে করেন তাকে অপরিসীম রিযিক প্রদান করে থাকেন।

প্রকৃত পক্ষে যারা আল্লাহ তায়ালার নির্দেশের কোন তোয়াক্কা করেনা তাদের নিকট পার্থিব জীবনটা চাকচিক্যময় হয়ে ফুটে উঠে। তাদের সকল আশা আকাঙ্খা ও সুখ দু:খ তাড়িত হয় এ দুনিয়ার জীবনকে ঘিরেই। আল্লাহতায়ালার নির্দেশকে যারা ধারণ করে তাদেরকে এ দুনিয়া পুজারীরা নীচ দৃষ্টিতে দেখে থাকে। তাদের স্থুল দৃষ্টিতে তারা আখেরাতকে আদৌ দেখতে পায়না, নগদ প্রাপ্তির আকাঙ্খা তাদের উল্লসিত ও উ™£ান্ত করে রাখে। তাদের দৃষ্টান্ত এমন একদল লোকের ন্যায় যারা দূরের ট্রেন যাত্রার জন্য স্টেশনে এসে ট্রেনের অপেক্ষায় অপেক্ষমান থাকার জন্য একটি অপেক্ষার এসি কামড়া বেছে নিয়েছে। তাদের মধ্যে কিছু সংখ্যক লোক আরামদায়ক এ কামড়ায় তাদের সাথে সুন্দর বিছানা পত্র বিছিয়ে শুয়ে আরাম করতে থাকে। আর কিছু সংখ্যক তাদের ‘সামান’ যথাযথ ভাবে গুটিয়ে রেখে গাড়ীর অপেক্ষায় এন্তেজার করতে থাকে। ইতোমধ্যে যখন ট্রেন স্টেশনে এসে পড়ে তখন তারা তাদের সকল মালামাল নিয়ে ধীরে সুস্থে গাড়ীতে ওঠে পড়ে। পক্ষান্তরে যারা আরামের বিছানায় শুয়ে ঘুমিয়ে পড়েছিল তারা গাড়ী স্টেশনে আসার পর যাত্রীদের চেচামেচিতে ওঠে দেখলো ট্রেনটি ছেড়ে যেতে উদ্ধত হয়েছে। এমতাবস্থায় এ লোকেরা তাদের মালামাল ছেড়ে দিয়ে গাড়ীতে উঠতে হলো। অন্যথায় তাদের গাড়ী মিছ করতে হতো। দুনিয়ার স্বল্প দৈর্ঘ্য জিন্দেগীর স্টেশনবাস শেষে আখেরাত যাত্রার জন্য মৃত্যুরূপ গাড়ী যখন এসে পড়বে তখন তার জন্য পূর্ব থেকে প্রস্তুত হয়ে না থাকলে অপ্রস্তুত অবস্থায় চলে যেতে হবে কারণ এ গাড়ী মিছ করে পরে যাওয়ার কোন সুযোগ নাই। চিরবিদায়ের এ সফরে যারা তাদের সামান সঠিকভাবে নিয়ে যেতে পারবে তারাই সেখানে আরামে ও সুখে শান্তিতে থাকতে পারবে। যারা মালামাল নিয়ে যেতে পারবে না তাদের জন্য রয়েছে কষ্টের জীবন। কাজেই যারা আখেরাতের জিন্দেগীর জন্য দুনিয়াকে প্রাধান্য দেয় নাই তাদের পরিণামই ভাল হতে বাধ্য। দুনিয়ার  জিন্দেগিতেও মহান আল্লাহ তায়ালা অপরিসিম রিযিক প্রদান করবেন উল্লিখিত আয়াত থেকে এ শিক্ষাই পাওয়া যায়।

কোরআনুল কারিমের সূরা আর রাদ এর ২৬ নং আয়াতেও আল্লাহ তায়ালা  অনুরূপ বার্তা প্রদান করেছেন। এরশাদ হচ্ছে, “আল্লাহু ইয়াবসুতুর রিযকা লিমাইয়্যাশাও ওয়া ইয়াকদীর ওয়া ফারিহু বিল হায়াতিদ্দুনিয়া ওয়ামাল  হায়াতিদ্দুনিয়া  ফিল আখিয়াতি ইল্লা মাতাউ” অর্থাৎ আল্লাহ তায়ালা যাকে রিযিক এর প্রশস্ততা দিতে চান তিনি তাই করেন  আবার যাকে তিনি চান রিযিক সংকীর্ণ করে দেন, আর এ লোকেরা বৈষয়িক জীবনের ধন সম্পদের  ব্যাপারেই বেশি উল্লসিত হয়। অথচ আখেরাতের তুলনায় এ পার্থিব জীবন ক্ষণস্থায়ী জিনিষ ছাড়া আর কিছুই হবার নয়। মহান আল্লাহ তায়ালাই সকল সৃষ্টির রিযিকদাতা একথাটি অতি স্পষ্ট ভাবে কোরআনুল কারিমে আরও উল্লেখ রয়েছে এরশাদ হচ্ছে, “ওয়া কায়্যিম মিন দা—ববাতিন লা তাহমিলু রিযকোহা ওয়াল্লাহু ইয়ারযুক্বুহা ওয়া ইয়্যাকুম ওয়া হুয়াস সামিউল আলিম”(আল আনকাবুত-৬০)। অর্থাৎ কত ধরণের বিচরণশীল জীব এ দুনিয়ায় রয়েছে ,যারা কেউ নিজেদের রিযিক নিজেরা কাধে বহন করে বেড়ায় না। আল্লাহ তায়ালাই তাদের এবং তোমাদের (নিত্য দিনের) রিযিক সরবরাহ করেন তিনি সব কিছু জানেন এবং সব কিছু শোনেন। অনুরূপ কোরআনুল কারিমের আরও অনেক স্থানে আল্লাহ তায়ালা মানুষের রিযিক প্রদানের ক্ষেত্রে তার একচ্ছত্র ক্ষমতার কথা উল্লেখ করেছেন মানুষের রিযিক এর হ্রাস বৃদ্ধি একান্ত ভাবেই আল্লাহ তায়ালার নিয়ন্ত্রনাধীন। ফলে মানুষের দুনিয়ার জীবনে রিযিক প্রাপ্তি যেমনি মহান আল্লাহর ইচ্ছাধীন ঠিক তেমনি আখেরাতের জিন্দেগীর ভালমন্দ  সাফল্য ব্যর্থতা সুখ দু:খ আল্লাহ তায়ালার নির্দেশিত এবং নবী রসূলগণের প্রদর্শিত পথে জীবন যাত্রা পরিচালনার উপরই সার্বিক ভাবে নির্ভরশীল। মহান আল্লাহ তায়ালা  আমাদেরকে দুনিয়া ও আখেরাতের সাফল্য অর্জনের অনুরূপ জিন্দেগীতে কায়েম রাখুন।

*লেখকঃ

চীফ সায়েন্টিফিক অফিসার ও প্রকল্প পরিচালক (অবসর প্রাপ্ত),

বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট, জয়দেবপুর, গাজীপুর।

FacebookTwitterGoogle GmailEmailYahoo MailYahoo MessengerShare