মৌমাছি পালন ও মধু উৎপাদন লাভ জনক

কৃষিবিদ ফরহাদ আহাম্মেদ

মৌমাছি নিজের খাদ্যের জন্য ফুল থেকে নেকটার (মধু) সংগ্রহ করে মৌচাকে জমা করে। এতে মৌমাছি উপকৃত হয় আমরাও উপকৃত হই মধু খেয়ে। মধু একশত রোগের ওষুধ হিসেবে কাজ করে। এছাড়াও মৌমাছি মধু সংগ্রহ করতে গিয়ে ফুলের মধ্যে পরাগায়ন ঘটায় ফলে ফসলের ফলন ২০-৩০% বাড়ে। মৌমাছি পালনের জন্য ফসলের গাছে পুষ্পায়ন পর্যায়ে জমিতে মৌবাক্স স্থাপন করা হয়। মৌমাছি এখানে মৌচাক তৈরি করে ফুল থেকে মধু সংগ্রহ করে জমা করে।

মৌমাছি পালন পদ্ধতি

মৌমাছি পরিবারভুক্ত, সামাজিক ও দলবদ্ধ পতঙ্গ। এরা একটি মৌচাকে তিন শ্রেণিতে ভাগ হয়ে বসবাস করে। যথাÑ নারী বা রানি, পুরুষ ও শ্রমিক মৌমাছি। প্রতি কলোনিতে এক হাজার থেকে এক লাখ পর্যন্ত মৌমাছি বাস করে। এর ৯০ ভাগই শ্রমিক মৌমাছি।

 

%e0%a6%95%e0%a7%81%e0%a6%b0%e0%a6%86%e0%a6%a8-%e0%a6%b9%e0%a6%be%e0%a6%a6%e0%a6%bf%e0%a6%b8%e0%a7%87-%e0%a6%ae%e0%a6%a7%e0%a7%81-%e0%a6%93-%e0%a6%8f%e0%a6%b0-%e0%a6%94%e0%a6%b7%e0%a6%a7%e0%a6%bf

 

মৌমাছি পালনের বিভিন্ন ধাপ বর্ণনা করা হলো :

রানি মৌমাছি সংগ্রহ

প্রতি কলোনিতে একটি রানি মৌমাছি থাকে। রানি মৌমাছির কাজ হচ্ছে প্রজনন কার্য করে ডিম উৎপাদন ও বাচ্চা উৎপাদন করা। কলোনির মধ্যে আকারে সবচেয়ে বড় হচ্ছে রানি মৌমাছি। একটি রানি মৌমাছি পুরুষ ‘ড্রোন’দের সঙ্গে ডিম পাড়ার আগে ১-৬ বার বায়ুমণ্ডলে সঙ্গমে মিলিত হয়। একটি রানি মৌমাছি প্রতিদিন গড়ে ৩০০০টি ডিম পাড়ে। নিষেককৃত ডিম থেকে কর্মী মৌমাছি ও অনিষেককৃত ডিম থেকে পুরুষ ড্রোন সৃষ্টি হয়। রানি মৌমাছিকে ঘিরে কর্মী ও পুরুষ মৌমাছি থাকে।

খাদ্য গ্রহণের পরিমাণের উপর নির্ভর করে রানি ও কর্মী মৌমাছি সৃষ্টি হয়। রয়েল জেলী বেশিদিন (৬-৭ দিন) মৌমাছির লার্ভাকে খাওয়ালে তার জুভেনাইল হরমোনের পরিমাণ বেড়ে যায় ফলে সে রানি মৌমাছিতে পরিণত হয়। রয়েল জেলী ৩ দিন খাওয়ালে কর্মী মৌমাছিতে পরিণত হয়।

একই কোলনিতে একাধিক রানি মৌমাছি থাকলে তাদের মধ্যে যুদ্ধ শুরু হয়। যুদ্ধে যে রানিটি বেঁচে থাকে, কর্মী ও পুরুষ মৌমাছিরা তাকে অনুসরণ করে অন্যত্র কোলনি করে। একটি নির্দিষ্ট রানি মৌমাছি নির্দিষ্ট পরিমাণ ডিম পাড়ার পর মারা যায় এবং নতুন রানির উদ্ভব হয়। এছাড়াও গাছের গর্ত থেকে রানি মৌমাছিসহ কলোনি এনে বাক্সে দেয়া যায়।

মৌমাছি পালনের প্রথম কাজ হবে ভারতীয় জাতের বন্য মৌমাছির খোঁজ রাখা। এরা সহজে পোষ মানে, ভদ্র, সহিষ্ণু, বিনা কারণে হুল ফোটায় না।

এরা সাধারণত গাছের ডালের ফোকরে এবং আড়ালে কলোনি তৈরি করে। আবার কখনো মাটির গর্তে, ঘরের দেয়ালের ফাটলে কিংবা মাচানে কোলনি তৈরি করে। কলোনি খোঁজ করার সময় একটা বিষয় ভালো করে ল্য করতে হবে, আর সেটা হলো কলোনির মৌমাছির সংখ্যা, কলোনি নতুন বা পুরাতন। মৌমাছির সংখ্যা খুব বেশি কিংবা খুব কম হলে পালনের জন্য কিছুটা অসুবিধা হয়। আর যদি কলোনি খুব পুরাতন হয়, তবে সহজে মৌমাছি পোষ মানে না। এজন্য নতুন বা মাঝারি বয়সের কলোনির রানি মৌমাছি সংগ্রহ করতে হয়। এরা একবার পোষ মানলে কলোনি ছেড়ে বিনা কারণে যায় না।

উপযুক্ত বাক্সে রাখা ও উদ্যানে স্থাপন

একটি উন্নত মৌবাক্স দুটি অংশ নিয়ে গঠিত। নিচের বড় ক বাচ্চার ঘর এবং উপরের ছোট অংশ মধু সঞ্চয়ের ঘর। সবার উপরে মৌ বাক্সের ঢাকনা থাকে এবং সবার নিচে বাক্সের তলা থাকে। এ দুটো খুলে বাক্সের মৌ কলোনির অবস্থা পরীক্ষা করা যায়। উক্ত বাক্সের ঘর দুটোতে ৫ থেকে ৭টি ফ্রেম থাকে। এই ফ্রেমেই মৌচাক বেঁধে পালন করা হয়।

বাক্সে মৌ কলোনি ঢোকানোই সবচেয়ে কঠিন কাজ। বাক্সে মৌ কলোনি ঢোকানোর জন্য প্রথমে একটি ভালো বাক্স সংগ্রহ করে সন্ধানপ্রাপ্ত কলোনির নিকট নিয়ে যেতে হবে। যন্ত্রপাতি নিতে হবে হাতুড়, বাটাল, কুড়াল, ছুরি, কুইনবেস ও গেট, দিয়াশলাই এবং কলা গাছের রশির আকারে বাকল ইত্যাদি। গাছের ফোকর যদি ছোট থাকে তবে বাটালি দিয়ে প্রয়োজনবোধে কুড়াল দিয়ে কেটে বড় করতে হবে যাতে মৌকলোনির মৌচাক স্বাভাবিকভাবে বের করা যায়। ফোকর করা সম্পন্ন হলে পুরাতন গেঞ্জির কাপড় অথবা খড়ের কুন্ডলি পাকিয়ে আগুন ধরিয়ে ধুয়া সৃষ্টি করে কলোনির সম্পূর্ণ মৌমাছি সরিয়ে মৌচাক কেটে বাক্সের ফ্রেমে কলা গাছের বাকলের সূতা দিয়ে বাঁধতে হবে। ফ্রেমে মৌচাক এমনভাবে বাঁধতে হবে বন্য অবস্থায় তাদের অবস্থান যেমন থাকে। বাধার সময় রানির ঘর ভেঙে দিতে হবে এবং পুরুষ ও লার্ভাগুলো সরিয়ে ফেলতে হবে। লার্ভা থাকলে এবং তাদের মুখ বন্ধ ও উঁচু অবস্থায় থাকলে বুঝতে হবে এগুলোই পুরুষ ঘর। মৌচাক বাচ্চা ঘরের ফ্রেমগুলোতে বাঁধতে হবে। কমপক্ষে তিনটি ফ্রেম বাঁধলেই হবে। মৌচাক মূল যে জায়গায় ফোকর ছিল তা সরে গেলেও মৌ কলোনির রানিসহ সবই দলবদ্ধভাবে আবার বসবে। এই অবস্থায় রানি চিহ্নিত করে কুইন কেসে রানি ধরে বাক্সে কেসটি রেখে দিলে দেখা যাবে সব ধরণের মৌমাছি বাক্সের ছিদ্র দিয়ে ঢোকা শুরু করবে খুবই ব্যস্তার সাথে। আবার এমন হয় যখন রানি খুঁজে পাওয়া যায় না তখন এমতাবস্থায় রুমাল অথবা এক খণ্ড কাপড় দিয়ে যতটা পারা যায় মৌমাছিকে জড়িয়ে বাক্সে ঢুকাতে হয়। এভাবে একটা পর্যায়ে রানি মৌমাছি ধরা পড়বে। ঠিক এমনই সময় কুইন গেট দিয়ে প্রবেশ পথ বন্ধ করে দিতে হবে, যাতে বাক্সের কলোনি থেকে বের হয়ে যেতে না পারে। এভাবে কমপক্ষে ১২ ঘণ্টা রেখে গেট খুলে দিতে হবে। খুলে দেয়ার পরপরই চিনির সিরা বাক্সের মৌমাছির প্রবেশ পথে একটা পাত্রে রেখে দিলে দেখা যাবে কিছুণ পরই কর্মী/শ্রমিক মৌমাছি চারদিকে পরিবেশের সাথে পরিচিত হয়ে উঠবে এবং তারা উঠে উড়ে গিয়ে ফুল থেকে পরাগ ও মৌ রস আনতে শুরু করবে। তখন বুঝতে হবে বাক্সে কলোনি স্থাপিত হয়েছে।

মৌ বাক্সগুলোকে এখন উদ্যানে বা ফসলের জমিতে ফুল ধরার আগে স্থাপন করতে হবে। সাধারণত শীতের শুরুতে বা ফল বাগানে মুকুল ধরার আগে মৌ বাক্স স্থাপন করতে হয়। বাংলাদেশের প্রায় ২০০ প্রজাতির উদ্ভিদের প্রতি মৌমাছি আসক্ত থাকলেও সরিষা, তিল, তুলা, আম, জাম, লিচু, ভুট্টা ইত্যাদি ফুলের প্রতি আসক্তি বেশি। সরিষা মৌসুমে মৌ কলোনিগুলো সরিষার জমিতে হেক্টর প্রতি ১০টি বাক্স ১০০ মিটার দূরত্বে, পিয়াজ ক্ষেতে হেক্টর প্রতি ১২-৩৬টি বাক্স ৮০ মিটার দূরত্বে স্থাপন ও অবস্থান বদল করতে হয়। বাক্সটি স্থাপনের সময় দেখতে হবে যেন মৌমাছি প্রবেশ পথের সম্মুখ জায়গাটি ফাঁকা থাকে, যাতে করে মৌমাছি সহজে চলাফেরা করতে পারে।

রক্ষণাবেক্ষণ

বাক্সের মৌ কলোনি নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করা। কলোনিতে রানি ঠিকমত ডিম পাড়ছে কিনা, কর্মীরা ফুল থেকে পরাগ সংগ্রহ করছে কিনা অথবা শত্রু মৌমাছির বা মথের আক্রমণ হয়েছে কিনা ইত্যাদি সার্বিক অবস্থা কমপক্ষে সাত দিন পর পর পর্যবেক্ষণ করতে হবে। বাক্স ঘন ঘন খুলে পরীক্ষা করলে বিশেষ করে বাচ্চার ঘর খুললে মৌমাছিদের স্বাভাবিক কাজকর্মের ক্ষতি হয়। যদি মথের আক্রমণ হয় তবে মৌচাক খুলে রোদে শুকাতে হবে। পিউপা বা বাচ্চা মরে থাকলে তা দূর করতে হবে। রানির ঘর তৈরি হলে তা ভেঙে দিতে হবে তা না হলে মৌ কলোনি উড়ে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে বেশি। এছাড়াও বাক্সের তলায় কর্মীর কিংবা পিউপার কিংবা মৌচাকের ময়লা পড়ে থাকতে পারে। এগুলো পরিষ্কার করা উচিত। এরপর কলোনি ফ্রেমগুলো সঠিকভাবে রেখে বাক্সের ঢাকনা লাগিয়ে দিতে হবে। মৌমাছিরা প্রচুর মধু সংগ্রহ করে রাখার স্থান না পেলে মধু ঘরে আরো নতুন চাক দিতে হবে।

মৌমাছির বংশ বৃদ্ধিকালে বাচ্চা ঘরে নতুন ফ্রেম দিতে হবে। বাক্সে কোন পুরানো অকেজো চাক থাকলে তা সরিয়ে নিতে হবে। প্রয়োজনবোধে বাক্সে পুরানো ও ত্রুটিপূর্ণ রানিকে সরিয়ে নতুন রানির সংযোজন করতে হবে। বংশবৃদ্ধিকালের শেষ দিকে মৌমাছির ঝাঁক বাঁধে। ঝাঁক বেঁধে যাতে না যায় সেজন্য ব্যবস্থা নিতে হবে। চাকে নবনির্মিত পুরুষ, রানি মৌমাছি ও বাচ্চার কুটুরিগুলো কেটে নষ্ট করে ফেলতে হবে। নতুন রানি না পেলে মৌ মাছির ঝাঁক বেঁধে অন্য কোথায় উড়ে যাবে না। মৌমাছির বংশ অনেক বেশি হলে তাদের একাধিক বাক্সে ভাগ করে দেয়া উচিত। মৌমাছির খাদ্য সংকটকালে মৌমাছি কমে গেলে ৪টি বাক্সের মৌমাছি একত্র করে একটি মৌবাক্সে স্থানান্তর করা উচিত। প্রচুর ফুল আছে সেখানে বাক্স নিতে হয়। মৌমাছির খাদ্য সংকট হলে চিনির সিরাপ তৈরি করে দেয়া হয়। সিরাপ পাত্রে দিয়ে এর উপর একটি কাঠি বা পাতা দিতে হয়। যাতে এর উপর বসে খেতে পারে। সিরাপ রাতে একটি নির্দিষ্ট সময়ে দিতে হয়। যাতে অন্য বাক্সের মৌমাছিরা এসে খাবারের জন্য মারামারি না বাঁধায়। ঝড় বৃষ্টিতে ক্ষতির সম্ভাবনা থাকলে মৌ বাক্সটির প্রবেশ পথ বাতাস ও বৃষ্টির বিপরীতমুখী করে নিরাপদ ও শুষ্ক স্থানে রাখতে হয়। ছাদের উপর পলিথিন কাগজ দিয়ে বৃষ্টি থেকে রক্ষা করতে হবে। শীতের প্রচণ্ড প্রকোপে মৌমাছিদের যেন কষ্ট না হয় সেজন্য শীতের রাতে মৌ বক্সগুলো চট বা ছালা দিয়ে ঢেকে রাখতে হবে। বাক্সে মৌ পালনের সবচেয়ে দুর্যোগপূর্ণ হলো বর্ষাকাল। এ সময় কলোনিতে মথের আক্রমণ হয়। মৌমাছি উড়ে যায় চাক ছেড়ে, যাকে ঝাঁক ছাড়া বলে। এছাড়াও গাছে ফুলে ফোটে না। এ সময় কলোনি পর্যবেক্ষণ করা দরকার। কলোনিতে গোবরে পোকা, বোলতা, কালো পিঁপড়া, কাক জাতীয় পাখি, ব্যাঙ, ইঁদুর, তেলা পোকা, টিকটিকি, রক্তচোষা, উঁইপোকা ইত্যাদি আক্রমণ করে। এছাড়াও ব্যাকটেরিয়া, ছত্রাক এবং পরজীবী কলোনিতে রোগের সংক্রমণ ঘটায়। এদের হাত থেকে রক্ষা পেতে বাক্সের কলোনির যতœ, পর্যবেক্ষণ এবং রাসায়নিক দ্রব্য ব্যবহার করা দরকার।

মধু আহরণ

বাংলাদেশে অক্টোবর থেকে মে মাস পর্যন্ত মধু সংগ্রহের মৌসুম। উদ্ভিদ ফুলের ভিতর রস জমিয়ে রেখে মৌমাছিকে আকৃষ্ট করে। মৌমাছি তার নিজস্ব প্রয়োজনে এ রস আহরণ করে এবং লালার সঙ্গে মিশিয়ে মধু থলিতে করে মৌচাকে নিয়ে আসে। শ্রমিক মৌমাছি তার পাখা নেড়ে বাতাস সৃষ্টি করে সংগৃহীত রস থেকে পানি বাষ্পায়িত করে। খাঁটি মধু হিসেবে তৈরি করার পর এগুলোকে চাকের নির্দিষ্ট প্রকোষ্ঠে জমা করে এবং মোম দিয়ে প্রকোষ্ঠের মুখ বন্ধ করে দেয়। এক পাউন্ড মধু তৈরি করতে একটি শ্রমিক মৌমাছিকে তার চাক থেকে বের হয়ে ৪০ হাজার থেকে ৮০ হাজার বার ফুল থেকে ফুলে বিচরণ করতে হয়। এজন্য তাকে প্রতিবার যাতায়াতের গড় দূরত্ব দেড় থেকে দুই কিলোমিটার। ভ্রমণ করতে হয় ৩২-৪২ হাজার কিলোমিটার।

মৌচাকের শতকরা ৭৫ ভাগ কুটুরি যখন ঘন মধুতে ভরে মৌমাছিরা ঢাকা দিয়ে ফেলবে তখন সে চাক থেকে মধু সংগ্রহ করতে হবে। মৌচাকের মধুঘর মধুতে ভরে গেলে উপরের অংশ চিক্ চিক্ করে। এই অবস্থায় ফ্রেম থেকে চাক খুলে মধু নিষ্কাশন যন্ত্রের সাহায্যে মধু সংগ্রহ করা হয়।

মধু উৎপাদনের গুরুত্ব

১. মধু শত রোগের মহা ঔষধ। ২. মধু উৎপাদনে বাড়তি আয়ে দারিদ্র বিমোচন হয়। ৩. পুঁজি কম, লাভ বেশি।

৪. শীত মৌসুমে একটি বাক্স থেকে প্রতি সপ্তাহে এক কেজি মধু পাওয়া যায়। ১০টি বাক্স থেকে প্রতি সপ্তাহে ১০ কেজি মাসে ৪০ কেজি মধু পাওয়া যায়। ৪০ কেজি মধুর দাম ১২ হাজার টাকা। খরচ খুব সামান্য। মধুর ৭ মাস মৌসুমে ৮৪ হাজার টাকা আয় করতে পারে। ৫. দেশে মধুর ব্যাপক চাহিদা। এজন্য বিক্রি করতে সমস্যা হয় না।

৬. বিদেশে রপ্তানিরও সুযোগ রয়েছে। ৭. বেকারত্ব দূর করা যায়। ৮. অন্য পেশার পাশাপাশি মধু উৎপাদন করা যায়। ৯. মৌচাক দিয়ে মোম তৈরি করা যায়। ১০. মোমাছি পালনে মধু উৎপাদন করে যে লাভ হয় এর চেয়ে পরাগায়ন বেশি হওয়ার ফলে ফসলের উৎপাদন প্রায় ২০-৩০% বাড়ে। ১১. মধু উৎপাদন করা সহজ। একবার মৌ বাক্স স্থাপন করলে সারা বছর মধু উৎপাদন করা যায়। একবার তৈরি করা বাক্স দিয়ে কয়েক বছর মৌ চাষ করা যায়।

————————————–

লেখক :

কৃষি সাংবাদিক, সহকারী অধ্যাপক শহীদ জিয়া মহিলা কলেজ,

ভূয়াপুর, টাঙ্গাইল। মোবাইল- ০১৭১১৯৫৪১৪৩

FacebookTwitterGoogle GmailEmailYahoo MailYahoo MessengerShare