সম্ভাবনাময় টার্কি শিল্প, প্রয়োজন গবেষণা

-অধ্যাপক ড. সুবাস চন্দ্র দাস

মো. শাহীন সরদার

পোল্ট্রির ১১টি প্রজাতির মধ্যে টার্কি একটি। টার্কির বৈজ্ঞানিক নাম Meleagris gallopavo। টার্কি (Turke)  মেলিয়াগ্রিডিডিই পরিবারের এক ধরণের বড় আকৃতির পাখি বিশেষ। এগুলো  দেখতে মুরগির বাচ্চার মতো হলেও আকারে তুলনামূলকভাবে অনেক বড়। বিশ্বের সর্বত্র টার্কি গৃহপালিত পাখিরূপে লালন-পালন করা হয়। এরা পরিবেশের সঙ্গে দ্রুত নিজেকে মানিয়ে নিতে পারে। পালনের জন্য উন্নত অবকাঠামো দরকার হয় না । এরা প্রতিদিন মোট খাদ্যের ৩০-৪০ ভাগ নরম ঘাস খায়। তাই খাবার খরচ কম। রোগবালাই কম বলে চিকিৎসা খরচ কম। মাংস উৎপাদনের দিক থেকে খুবই ভালো (আমাদের দেশে ৬ মাস বয়সে ৫-৬ কেজি)। পাখির মাংস হিসেবে এটা মজাদার এবং কম চর্বিযুক্ত। তাই গরু, খাসি, পোল্ট্রি ও দেশীয় হাঁস মুরগীর মাংসের পরিপূরক হতে পারে। আমাদের দেশে বর্তমানে অনেকের ব্রয়লার মুরগির মাংসের ওপর অনীহা সৃষ্টি হচ্ছে। তাদের জন্য এটা হতে পারে প্রিয় খাবার। প্রোটিনের নতুন আরেকটি উৎস হিসেবে টার্কি হতে পারে বাণিজ্যের নতুন দিগন্ত। বাংলাদেশে টার্কি পালনের জন্য অনুকূল আবহাওয়া রয়েছে। প্রান্তিক পর্যায়ে এখন স্বল্পপর্যায়ে চাষ হচ্ছে। এটি আমাদের দেশে লাভজনক সম্ভাবনাময় শিল্প হতে পারে। মাঠপযার্য়ে যাওয়ার আগে প্রয়োজন পর্যাপ্ত পরিমাণে গবেষণা। এজন্য সরকারি ও যথাযথ কতৃপর্ক্ষের প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন। এসব কথা বলেন বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে পশুপালন অনুষদের পোল্ট্রি বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. সুবাস চন্দ্র দাস।

অধ্যাপক ড. সুবাস চন্দ্র দাস নিজ উদ্যোগে স্নাতকত্তোর শিক্ষার্থীদের নিয়ে গবেষণা করে চলেছেন টার্কি নিয়ে। দেশে টার্কি শিল্পের সম্প্রসারণে নিজ উদ্যেগে নিয়েছেন অনেকগুলো পদক্ষেপও। টার্কি শিল্পের সম্ভাবনা ও অন্তরায় নিয়ে অধ্যাপক ড. সুবাস চন্দ্র দাসের সাথে বিস্তারিত কথা বলেছেন বাকৃবি প্রতিনিধি মো. শাহীন সরদার।

মো. শাহীন সরদার

টার্কি পাখি সম্পর্কে যদি একটু বিস্তারিত জানাতেন…

অধ্যাপক ড. সুবাস চন্দ্র দাস

আমাদের দেশের অনুকূল আবহাওয়া ও পরিবেশে পশুপাখি পালন অন্যান্য দেশের তুলনায় সহজ। আবার কিছু  প্রাণী আছে যারা দ্রুত পরিবেশের সঙ্গে নিজেকে মানিয়ে নিতে পারে। আর টার্কি পাখি সে রকম একটি সহনশীল জাত, যে কোনো পরিবেশ দ্রুত এরা নিজেকে মানিয়ে নিতে পারে। এরা বেশ নিরীহ ধরণের পাখি, মুক্ত অথবা খাঁচা উভয় পদ্বতিতে পালন করা যায়। ৬-৭ মাস বয়স থেকে ডিম দেয়া শুরু করে এবং বছরে ২-৩ বার ১০-১২টি করে ডিম দেয়। একটি পূর্ণবয়স্ক স্ত্রী টার্কির ৩-৪ কেজি এবং পুরুষ টার্কি ৮-১০ কেজি ওজন হয়। এদের মাংস উৎকৃষ্ট স্বাদের। এরা লাল শাক, কলমি শাক, বাধাঁকপি ইত্যাদি মৌসুমি শাকবসবজি কচুরিপানা, পোকামাকড়, সাধারণ খাবার খেতে অভ্যস্ত, তবে উন্নত খাবার দিলে ডিম ও মাংসের পরিমাণ বেশি পাওয়া যায়। ১ মাস বয়সের টার্কি ক্রয় করা ভালো, এতে ঝুঁকি কম থাকে এবং লিঙ্গ নির্ধারণ সহজ হয়, এরকম বয়সের এক জোড়া টার্কির দাম হবে প্রায় ২০০০-৩০০০ টাকা। প্রথমে বাণিজ্যিকভাবে শুরু না করে ৮-১০ জোড়া দিয়ে শুরু করা ভালো, কারণ তাতে সুবিধা অসুবিধাগুলো নির্ণয় করা সহজ হয়।

মো. শাহীন সরদার

টার্কি পাখির রোগ-বালাইয়ের ঝুকি কেমন?

অধ্যাপক ড. সুবাস চন্দ্র দাস

টার্কি পাখির তেমন বড় কোনো রোগবালাই নেই। রানীক্ষেত, ফাইল পক্স, ফাউল কলেরা, এন্টারাইটিস ইত্যাদি রোগ দেখা যায়। তবে সময়মত ভ্যাক্সিন প্রদান করলে রোগ প্রতিরোধ সম্ভব। অতি বৃষ্টি বা বেশি শীতের সময় মাঝে মাঝে ঠান্ডাজনিত রোগ দেখা যায়, ডাক্তারের পরামর্শে ওষুধ দিলে ভালো ফল পাওয়া যায়। তবে নিয়োমিত টিকা দিলে এসব রোগ থেকে সহজেই টার্কিকে রক্ষা করা যায়।

মো. শাহীন সরদার

টার্কি পালনের কি কি সুবিধা রয়েছে ?

অধ্যাপক ড. সুবাস চন্দ্র দাস

এদের মাংস উৎপাদন ক্ষমতা অনেক, টার্কি ব্রয়লার মুরগির থেকে দ্রুত বাড়ে; ঝামেলাহীনভাবে দেশি মুরগির মতো পালন করা যায়; অল্প পুঁজিতে একটি আদর্শ টার্কির খামার করা যায়; টার্কি পালনে তুলনামূলক খরচ কম, দানাদার খাদ্যের পাশাপাশি ঘাস, লতা-পাতা খেতেও পছন্দ করে; টার্কি দেখতে সুন্দর, তাই বাড়ির শোভাবর্ধন করে; টার্কির মাংসে প্রোটিনের পরিমাণ বেশি, চর্বি কম। তাই গরু, খাসি, পোল্ট্রি ও দেশীয় হাঁস মুরগীর মাংসের পরিপূরক হতে পারে;  টার্কির মাংসে অধিক পরিমাণ জিংক, লৌহ, পটাশিয়াম, ভিটামিন বি৬, ভিটামিন ই ও ফসফরাস থাকে। এ উপাদানগুলো মানব শরীরের জন্য উপকারী এবং নিয়মিত এ মাংস খেলে কোলেস্টেরল কমে যায়; টার্কির মাংসে এমাইনো এসিড ও ট্রিপটোফেন অধিক পরিমাণে থাকায় এর মাংস শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়; অন্যান্য পাখির তুলনায় রোগবালাই কম এবং কিছু নিয়ম মেনে চললে খামারে ঝুঁকি অনেক কমে যায়; উচ্চমূল্য থাকায় খরচের তুলনায় আয় অনেক বেশি।

মো. শাহীন সরদার

টার্কি পালন পদ্ধতি  সর্ম্পকে যদি জানাতেন…

অধ্যাপক ড. সুবাস চন্দ্র দাস

দুইভাবে টার্কি পালন করা যায়-

০১. মুক্ত চারণ পালন পদ্ধতি ও

০২. নিবিড় পালন পদ্ধতি

মুক্ত চারণ পালন পদ্ধতি

মুক্ত চারণ পদ্ধতিতে এক একর ঘেরা জমিতে ২০০-২৫০টি পূর্ণ বয়স্ক টার্কি পালন করা যায়। রাতে পাখি প্রতি ৩-৪ বর্গফুট হারে জায়গা লাগে। চরে খাওয়ার সময় তাদের শিকারি জীবজন্তুর হাত থেকে বাঁচাতে হবে। ছায়া ও শীতল পরিবেশ জোগানোর জন্য খামারে গাছ রোপণ করতে হবে। চারণভূমি ঘুরিয়ে ফিরিয়ে ব্যবহার করতে হবে এতে পরজীবীর সংক্রমণ কম হয়। সুবিধা: খাবারের খরচ ৫০ শতাংশ কম হয়; স্বল্প বিনিয়োগ : খরচের তুলনায় লাভের হার বেশি।

মুক্ত চারণ ব্যবস্থায় খাবারঃ টার্কি খুব ভালোভাবে আবর্জনা খুঁটে খায় বলে এরা কেঁচো, ছোট পোকামাকড়, শামুক, রান্নাঘরের বর্জ্য ও উঁইপোকা খেতে পারে, যাতে প্রচুর প্রোটিন আছে ও যা খাবারের খরচকে ৫০ শতাংশ কমিয়ে দেয়।  এছাড়া শিম জাতীয় পশুখাদ্য যেমন লুসার্ন, ডেসম্যান্তুাস, স্টাইলো এসব খাওয়ানো যায়। চরে বেড়ানো পাখিদের পায়ের দুর্বলতা ও খোঁড়া হওয়া আটকাতে খাবারে ঝিনুকের খোলা মিশিয়ে সপ্তাহে ২৫০ গ্রাম হিসাবে ক্যালসিয়াম দিতে হবে। খাবারের খরচ কম করার জন্য শাকসবজির বর্জ্য অংশ দিয়ে খাবারের ১০ শতাংশ পরিমাণ পূরণ করা যেতে পারে।

স্বাস্থ্য রক্ষাঃ মুক্তচারণ ব্যবস্থায় পালিত টার্কির অভ্যন্তরীণ (গোল কৃমি) ও বাহ্য (ফাউল মাইট) পরজীবী সংক্রমণের সম্ভাবনা অত্যন্ত বেশি থাকে। তাই পাখিদের ভালো বিকাশের জন্য মাসে একবার ডিওয়ার্মিং ও ডিপিং করা আবশ্যক।

নিবিড় পালন পদ্ধতি

বাসস্থান টার্কিদের রোদ, বৃষ্টি, হাওয়া, শিকারি জীবজন্তু থেকে বাঁচায় ও আরাম জোগায়। অপেক্ষাকৃত গরম অঞ্চলগুলোতে খামার করলে ঘরগুলো লম্বালম্বি পূর্ব থেকে পশ্চিমে রাখতে হবে। খোলা ঘরের প্রস্থ ৯ মিটারের বেশি হওয়া চলবে না। মেঝে থেকে ছাদ পর্যন্ত ঘরের উচ্চতা ২.৬ থেকে ৩.৩ মিটারের মধ্যে থাকতে হবে। বৃষ্টির ছাঁট আটকাতে ঘরের চালা এক মিটার বাড়িয়ে রাখতে হবে। ঘরের মেঝে সস্তা, টেকসই, নিরাপদ ও আর্দ্রতারোধক বস্তু যেমন কংক্রিটের হওয়া বাঞ্ছনীয়। কম বয়সি এবং প্রাপ্ত বয়স্ক পাখির ঘরের মধ্যে অন্তত ৫০ থেকে ১০০ মিটার দূরত্ব বজায় রাখতে হবে এবং পাশাপাশি দুটি ঘরের মধ্যে অন্তত ২০ মিটার দূরত্ব থাকতে হবে। ডিপ লিটার পদ্ধতিতে টার্কি পালনের সাধারণ পরিচালনা ব্যবস্থা মুরগি পালনেরই মতো, তবে বড় আকারের পাখিটির জন্য যথাযথ বসবাস, ওয়াটারার ও ফিডারের জায়গার ব্যবস্থা রাখতে হবে।

সুবিধা: উন্নত উৎপাদন দক্ষতা; উন্নততর পরিচালন ও ব্যাধি নিয়ন্ত্রণ।

নিবিড় পালন ব্যবস্থায় খাদ্যঃ নিবিড় পালন ব্যবস্থায় টার্কি মুরগিকে ম্যাশ ও পেলেট (ট্যাবলেট) দুইভাবেই খাবার দিতে হবে। মুরগির তুলনায় টার্কির শক্তি, প্রোটিন ও খনিজের প্রয়োজন বেশি। সেজন্য টার্কির খাবারে এগুলোর আধিক্য থাকতে হবে। খাবার মাটিতে না দিয়ে ফিডারে দিতে হবে। যেহেতু পুরুষ ও মাদির ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় শক্তির (এনার্জি) পরিমাণ আলাদা, তাই ভালো ফল পাওয়ার জন্য তাদের পৃথকভাবে পালন করতে হবে। টার্কিদের সব সময় অবিরাম পরিষ্কার পানির প্রয়োজন। গ্রীষ্মকালে ওয়াটারারের সংখ্যা বাড়িয়ে দিতে হবে এবং অপেক্ষাকৃত ঠান্ডা সময়ে খাবার দিতে হবে। পায়ের দুর্বলতা এড়াতে দিনে ৩০-৪০ গ্রাম হারে ঝিনুকের খোসার গুঁড়া দিতে হবে এবং খাবারে পরিবর্তন আনার প্রয়োজন হলে তা আস্তে আস্তে করতে হবে।

সবুজ খাদ্যঃ নিবিড় পদ্ধতিতে ড্রাই ম্যাশ হিসাবে মোট খাদ্যের ৫০ শতাংশ পর্যন্ত সবুজ খাবার দেয়া যায়। সব বয়সের টার্কির জন্য টাটকা লুসার্ন প্রথম শ্রেণীর সবুজ খাদ্য। এছাড়া খাবারের খরচ কম করার জন্য ডেসম্যান্তুাস ও স্টাইলো কুচি করে টার্কিদের খাওয়ান যেতে পারে।

মো. শাহীন সরদার

আমাদের দেশে টার্কি পালনের সম্ভাবনা কেমন রয়েছে?

অধ্যাপক ড. সুবাস চন্দ্র দাস

টার্কি মূলত মাংসের জন্য পালন করা হয়। বাংলাদেশে বাণিজ্যিকভাবে টার্কি মুরগি পালন দিনে দিনে জনপ্রিয়তা অর্জন করছে। তারা দেখতে খুব সুন্দর হয় এবং আপনার বাড়ির সৌন্দর্য বাড়াতে সাহায্য করে। টার্কি মুরগি দ্রুত বড় হয়ে যায় এবং ব্রয়লার মুরগির মতো খাওয়ার উপযুক্ত হয়ে ওঠে। অন্যান্য পাখির তুলনায় এটির রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা অনেক বেশি হওয়ায় টিকাদান ঔষধের খরচ অতি নগণ্য। বাংলাদেশের আবহাওয়া খাপ খাওয়ানো চোখে পড়ার মতো যা টার্কি মুরগি পালনের জন্য খুবই উপযুক্ত। এগুলোর পালন মুরগির মতো খুব সহজ। টার্কির মাংস অন্যান্য পাখির মাংস থেকে কম চর্বিযুক্ত, তাই অন্যান্য পাখির চেয়ে টার্কির মাংস অধিক পুষ্টিকর। বাংলাদেশে বাণিজ্যিকভাবে টার্কি পালন-ব্যবসা করে ভালো মুনাফা অর্জনের উজ্জ্বল সম্ভাবনা রয়েছে। একটুখানি সচেতনতা, সরকারি গবেষণা এবং ক্রেতা-বিক্রেতার পারস্পরিক অংশগ্রহণে এ টার্কিই হয়ে উঠতে পারে আত্মকর্মসংস্থানের মাধ্যম  এমনকি ব্যপক উৎপাদনের মাধ্যমে বৈদেশিক মুদ্রা আয়ের উপায়।

মো. শাহীন সরদার

প্রার্ন্তিকপর্যায়ের অনেক খামারী অভিযোগ করেছেন তারা পার্শ্ববর্তী দেশ থেকে আসা নি¤œমানের বাচ্চা দ্বারা প্রতারিত হচ্ছে। এর কারণ কি? কিভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে খামারীরা?

অধ্যাপক ড. সুবাস চন্দ্র দাস

বিষয়টি কিছুটা আমিও শুনেছি যদি এটা হয় তাহলে  দীর্ঘপথ পাড়ি দিয়ে আসায় বাচ্চাগুলো দুর্বল হয়ে পড়ে। ফলে রোগবালাই প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যায়। বাচ্চার শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটছে ফলে সহজেই রোগ বালাইয়ে আক্রমণের শিকাড় হচ্ছে। তাই বেশিরভাগক্ষেত্রেই খামারিরা প্রতারিত হচ্ছে। বাইরের বাচ্চার দাম দেশীয় বাচ্চার অনেক কম হলেও একই দামে বিক্রি করা হচ্ছে।

মো. শাহীন সরদার

প্রতারণা থেকে মুক্ত হওয়ার উপায় কি হতে পারে?  বাচ্চাগুলো নি¤œমানের বা দেশীয় না কিভাবে শনাক্ত করা যেতে পারে?

অধ্যাপক ড. সুবাস চন্দ্র দাস

খামারীরা সরেজমিনে গিয়ে বা বাচ্চার উৎস্য নিশ্চিত হয়ে ক্রয় করবে। তাছাড়া বাচ্চার শারীরিক সতেজতা দেখেও কিছুটা অনুমান করা যায়। প্রয়োজনে বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিবে।

মো. শাহীন সরদার

কোন বয়সের টার্কির মূল্যে কেমন?

অধ্যাপক ড. সুবাস চন্দ্র দাস

১দিনের বাচ্চা ওজন ৪০-৪৫ গ্রাম প্রতি পিছ মূল্য ৬০০-৮০০ টাকা। ১ মাসের বাচ্চা ২৫০-৩০০ গ্রাম প্রতি পিছ মূল্য ১২০০-১৪০০ টাকা। ৬মাসের পূর্ণবয়স্ক বাচ্চা স্ত্রী ৩-৩.৫ কেজি পুরুষ ৪.৫-৫ কেজি প্রতি পিছ মূল্য ৫০০০-৬০০০।

মো. শাহীন সরদার

দেশে টার্কি শিল্প বিস্তারে আপনি কি পদক্ষেপ নিয়েছেন বা কিভাবে কাজ করে যাচ্ছেন?

অধ্যাপক ড. সুবাস চন্দ্র দাস

টার্কি শিল্প বিস্তারে আমি তিনভাবে কাজ করছি।

১. বিনামূল্যে “Saturday Service প্রতি শনিবার সকাল ৯টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত টার্কি সর্ম্পকে যেকোন বিষয়ে যেকেউ সহায়তা পাবে। প্রয়োজনে শামীম ০১৭৫৮৫১৬৫৬৬ ও বিপুল ০১৭৪০৩৪০২৫৫ নাম্বারে যোগাযোগ করতে পারেন।

২. ২.ফেসবুকে “Help desk For Turkey Farmers in Bangladesh ” নামে একটি গ্রুপ রয়েছে। এখানে বিভিন্ন খামরি ও প্রান্তিক কৃষক যুক্ত রয়েছেন। বাচ্চা ক্রয়, লালনপালন, রোগবালাইসহ যে কোন বিষয়ে গ্রুপে জানা যাবে।

৩. আমার সাথে সরাসরি যোগাযোগ।

লেখকঃ

বাকৃবি প্রতিনিধি, ময়মনসিংহ।

মোবাইল. ০১৭৩ ৭৭২১৬০৩।

শাহজালাল হল, ২৩০/ ই বাকৃবি।

FacebookTwitterGoogle GmailEmailYahoo MailYahoo MessengerShare