সুতায় বঁেধে টমটেো সংরক্ষণ

সুতায় বঁেধে টমটেো সংরক্ষণ
মোঃ মামুন-উর-রশদি

আমাদরে দশেে শাক সব্জরি উৎপাদন প্রয়োজনরে তুলনায় অত্যন্ত অপ্রতুল। ১১.৬৮ মলিয়িন মট্রেকি টন বাৎসরকি চাহদিার অনুকূলে উৎপাদন মাএ ৩.৫০ মলিয়িন মট্রেকি টন (ঞযব ঋরহধহপরধষ বীঢ়ৎবংং, ৭ ঔঁহব, ২০১৩)। তাছাড়া সংরক্ষণ সুবধিার অভাবে আমাদরে দশেে প্রতি বৎসর প্রচুর পরমিাণে শাক-সব্জি নষ্ট হয়ে যায়। ঐড়ৎঃবী ঘবংষিবঃঃবৎ এর সংখ্যা ৯(২) অনুযায়ী সাধারণভাবে আমাদরে দশেে উৎপাদতি উদ্যানতাত্বকি ফসলরে এক তৃতীয়াংশরে বশেী সংগ্রহ পরর্বতী স্তরে প্রধানতঃ সংরক্ষণ সুবধিার অভাবে নষ্ট হয়ে যায়। বাংলাদশে কৃষি বশ্বিবদ্যিালয়রে উদ্যানতত্ব বভিাগ কতৃক কাঁঠাল, আনারস, পঁেপ,ে আম, লচিু, কলা, কমলা, শসা, ফুলকপ,ি টমটেো, ঢঁেড়শ, বগেুন, লালশাক প্রভৃতি প্রধান ১৩ টি ফল ও সব্জরি উপর পরচিালতি গবষেণায় দখো যায় আমাদরে দশেে বৎসরে ৩,৪৪২ কোটি টাকার ফল ও সব্জি শস্য সংগ্রহ পরর্বতী স্তরে নষ্ট হয় (ঞযব উধরষু ঝঃধৎ, ৮ ঙপঃড়নবৎ, ২০১১)। তবে সব্জরি জাত ও ধরণ ভদেে পচঁে যাওয়ার পরমিাণে তারতম্য দখো যায়। যমেনঃ ৩৭% টমটেো, ৩৫% পঁেপ,ে ৩৩% আম এবং ২৭% করলা শস্য সংগ্রহ স্তর থকেে শুরু করে ভোক্তার কাছে পৌছানোর মধ্যর্বতী স্তরে নষ্ট হয়ে যায় (ইঅজও, ২০০৬)। সুতরাং এ কথা নর্দির্¦িধায় বলা যায় য,ে সংরক্ষণ ব্যবস্থার উন্নয়নরে মাধ্যমে শস্য সংগ্রহ পরর্বতী স্তরে ফসলরে অপচয় উল্লখেযোগ্য ভাবে হ্রাস করা সম্ভব।
আজকে আমরা টমটেো সংরক্ষণরে একটি নতুন পদ্ধতি সর্ম্পকে জানব। বলে নয়ো ভাল যে পদ্ধতটিি কোন গবষেণাগারে সৃষ্টি হয়নি বরং একজন উন্নয়ন র্কমী এবং একজন উৎসাহী কৃষকরে যৌথ প্রচষ্টোয় উদ্ভাবতি। মোঃ হারুন অর রশদি একজন উন্নয়ন র্কমী যনিি কৃষি বষিয় নয়িে এসএসসি এবং এইচএসসি পাস করার পর বএিসসি শষে করে ১৯৯২ সালে যোগ দনে ব্রাক।ে পরর্বতীতে কৃষি বষিয়ে জানার অদম্য আগ্রহ নয়িে যোগ দনে ঈঅজঊ বাংলাদশেরে খওঋঊ প্রকল্প।ে কৃষ,ি মৎস্য এবং পশুপালন বষিয়ে চার মাসরে ট্রনেংি নয়োর পর যোগ দনে একই সংস্থার চধৎঃরপরঢ়ধঃড়ৎু ধপঃরড়হ ৎবংবধৎপয ঃবধস এ । এ টমিরে মূল কাজ ছলি কৃষকরে ক্ষতেে ঞৎরধষ ধহফ বৎৎড়ৎ পদ্ধতি প্রয়োগরে মাধ্যমে কৃষি বষিয়ক সমস্যার স্থানভত্তিকি সমাধান খুঁজে বরে করা। উল্লখ্যে, এই প্রজক্টেরে একজন ভারতীয় উপদষ্টো ড. নন্দী শাহাজী যনিি মনে করতনে কৃষকরোই প্রকৃত গবষেক র্অথাৎ ঋধৎসবৎং ধৎব ঝপরবহঃরংঃ মতবাদ দ্বারা ব্যাপকভাবে অনুপ্রাণতি হন মো: হারুন অর রশদি। ১৯৯৯ সালে কশিোরগঞ্জরে পাকুন্দয়িায় কাজ করার সময় তনিি দখেলনে এই এলাকায় টমটেোর বাম্পার ফলন হয় কন্তিু মূল্য কম হ্ওয়ায় অনকে কৃষক টমটেো ক্ষতেইে ফলেে রাখনে। এর্পযায় মোঃ হারুন অর রশদি লক্ষ্য করনে যে বোঁটাসহ ক্ষতেে ফলেে রাখা টমটেোগুলো দরেতিে নষ্ট হচ্ছ।ে উৎসাহী হয়ে তনিি ছড়াসহ বশে কয়কেটি পাকা এবং আধাপাকা টমটেো বাড়তিে

FacebookTwitterGoogle GmailEmailYahoo MailYahoo MessengerShare

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *