সৃষ্টিকূলের জন্য পানি সরবরাহ ও বিতরণে আল্লাহর ব্যবস্থা

ড. মো. আবু বকর*

পূর্ব প্রকাশের পর

সুরা আন-নামল এর ৬০ ও ৬১ নং আয়াত দুটিতে মহান আল্লাহ তায়ালা পৃথিবীকে মানুষের বসবাসের উপযোগী করে তৈরী করার জন্য গৃহীত ব্যবস্থা সম্পর্কে ইংগীত প্রদান করেছেন। অত:পর সংস্থাপিত এ পৃথিবীতে মানুষ যাতে নির্ভুল ভাবে সঠিক পথে চলতে পারে তারই নির্দেশনা প্রদান করেছেন পরবর্তী দুটি আয়াতে। আল্লাহ তায়ালা এরশাদ করেন “আম্মাঁই ইয়ূজিবুল মুদ্দতাররা ইয়া দা’আহু ওয়াইয়াক্ শিফুস্ সূয়া ওয়াইয়াজ্ব’ আলুকুম খুলাফা আল আরদ্ধ; আ ইলাহুম্মা’ মা’ আল্লাহ; ক্বালীলাম মা তাযাক্কারুন; আম্মাঁই ইয়াহদিকুম ফী যুলুমাতিল বাররি ওয়াল বাহ্রি ওয়াম্াঁই ইয়ুরছিলুর রিয়াহা বুশরাম বাইনা ইয়াদাই রাহমাতিহী; আ ইলাহুম মা’ আল্লাহ; তায়ালা আ’ম্মা ইয়ূশরিকূন”।

মহান আল্লাহ তায়ালা বলেন, তিনিই (কি শ্রেষ্ঠ নন) যিনি কোন বিপদগ্রস্থ ব্যক্তির ডাকে সাড়া দেন যখন (নিরূপায় হয়ে) সে তাঁকেই ডাকতে থাকে, তখন (তার) বিপদ আপদ তিনি দূরীভূত করে দেন এবং তিনি তোমাদেরকে এ যমীনে তাঁর খলীফা নিযুক্ত করেন; (এসব কাজে) আল্লাহ তায়ালার সাথে আর কোন মা’বুদ আছে কি ? আসলে তোমরা কমই উপদেশ গ্রহণ করে থাকো; অথবা তিনি (কি শ্রেষ্ঠ নন) যিনি তোমাদেরকে জলে স্থলের (গহীন) অন্ধকারে, পথের সন্ধান দেন, যিনি তার অনূগ্রহ-সম (বৃষ্টি) বর্ষণের আগে তার সুসংবাদ বহন করার জন্য বাতাস প্রেরণ করেন; (এ সব কাজে) আল্লাহর সাথে অন্য কোন মা’বুদ আছে কি ? আল্লাহ তায়ালা অতীব মহান, ওরা যা কিছু তাঁর সাথে শরীক করে তা থেকে তিনি অনেক উর্দ্ধে;

উদ্ধৃত আয়াত দুটিতে যে সকল বিষয়ের প্রতি মানুষের দৃষ্টি ফেরাবার ইংগীত করেছেন তার প্রথমটি হচ্ছে আল্লাহর শ্রেষ্ঠত্ব বিরাটত্ব নিরঙ্কুষ ও সার্বভৌম ক্ষমতা, কেবল তিনিই এর মালিক। মানুষের সকল অভাব অভিযোগ শ্রবণ এবং সকল প্রকার প্রয়োজন পূরণের ক্ষমতা একমাত্র আল্লাহ তায়ালার ই এখতিয়ার। অন্য কোন সত্বা এ ক্ষমতার বিন্দুমাত্রও অংশীদার নয়। এ বিষয়টিকে চোখে আঙ্গুল দিয়ে দেখিয়ে দেয়া। এর ফলে মানুষ কেবল তাঁর নিকটই নিজ অভাবের কথা জানাবে এবং তাঁর কাছ থেকেই তা পাওয়ার এবং সকল অভাব তাঁরই কাছ থেকে পূরণে আশা করবে, অন্য কোন সত্ত্বার কাছে তা যাঞ্চাও করবে না এবং প্রাপ্তির আশাও পোষন করবে না। এ সংক্রান্ত বিষয়ে কোরআনুল কারীমে অন্যত্র উল্লেখিত হয়েছে “ওয়াস আলুল্লাহা মিন, ফাদ্ধলিহী, ইন্নাল্লাহা কানা বিকুল্লি শাইয়ীন আ’লীম” (নিসা-৩২)। অর্থাৎ তোমরা আল্লাহ তায়ালার কাছ থেকে তার অনুগ্রহ (পাওয়ার জন্য) প্রার্থনা কর। নিশ্চয়ই আল্লাহ তায়ালা প্রতিটি বিষয় সম্পর্কে সম্যক ওয়াকেবহাল রয়েছেন। সূরা আল ইনশিরায় বলা হয়েছে, “ফাইজা ফারাগতা ফানছব ওয়াইলা রাব্বিকা ফারগাব” (আল ইনশিরাহ আ: ৭-৮)। অর্থাৎ যখন তুমি খালি হাত হয়ে যাবে তখন তুমি তোমার রবের হুজুরে দাড়িয়ে যাবে এবং তারই কাছে মিনতি জানাবে। সূরা আল আনকাবুতে উল্লেখিত হয়েছে এভাবে, “ইন্নাল্লাজীনা তা’বুদুনা মিন দুনিল্লাহি লা ইয়ামলিকুনা লাকুম রিযকান্ ফাব্তাগু ইন্দাল্লাহি রিযকা ওয়া’বুদুহু ওয়াশকুরু লাহু ইলাইহি তুরযা’উন”। (আল আনকাবুত -১৭)। অর্থাৎ আল্লাহ তায়ালাকে বাদ দিয়ে যে সব মূর্তির পূজা তোমরা করো তারা তোমাদের কোনোরকম রেযেক এর মালিক নয়, অতএব তোমরা একমাত্র আল্লাহ তায়ালার কাছেই রেযেক প্রার্থনা কর, কেবলমাত্র তাঁরই ইবাদত কর এবং তাঁর (নেয়ামতের) শোকর আদায় করো; (কেননা) তোমাদেরকে তাঁরই সান্যিধে ফিরিয়ে নেয়া হবে।

স্বভাবগত ভাবে মানুষের দুটি বিশেষ প্রয়োজন রয়েছে তার একটি হলো তার রিযিক বা জীবিকা যা জীবন ধারনের প্রথম প্রয়োজন। আর দ্বিতীয়তটি হলো তার দৈহিক ও আতিœক সুরক্ষা। মানুষ তার দেহ ও মনকে ক্ষতির কারন জিনিস থেকে রক্ষা করতে চায়। এ দুটো ব্যাপারেই ইসলামের শিক্ষা হলো, এ দুটো জিনিস ই মানুষ একমাত্র আল্লাহ তায়ালার কাছে চাইবে। তার সকল প্রয়োজনে সে কেবল আল্লাহ তায়ালার কাছেই হাত দারাজ করবে। আর বিপন্ন অবস্থায়ও মানুষ তাঁরই কাছে ফরিয়াদ জানাবে। এতদ প্রসঙ্গে আল্লাহ্র নবী হযরত ইয়াকুব (আঃ) এর চরিত্রের বৈশিষ্ট্যটি প্রণিধান যোগ্য। হযরত ইউসুফ (আঃ) কে যখন তার সৎ ভাইয়েরা কুয়ায় ফেলে এসে মিথ্যার আশ্রয় নিয়ে বাঘে খেয়ে ফেলেছে বলে পিতাকে জানালো এবং পরবর্তিতে আবার ইউছুফ (আঃ) এর ছোট ভাই বিনিয়ামীন কে চুরির অজুহাতে মিশরের বাদশাহর দরবারে গ্রেফতার হয়েছে বলে জানালো তখন তিনি অত্যন্ত ব্যথিত হলেন। কিন্তু এ ব্যাথা অন্য কারো কাছে না জানিয়ে স্বয়ং আল্লাহ তায়ালার কাছে জানাতে চাইলেন এবং বললেন, “ইন্নামা আশকূ রাচ্ছি ওয়া হুজনী ইলাল্লাহ” (সুরা ইউসুফ -৮৬)। অর্থাৎ আমি আমার দুঃখ কষ্টের কথা এবং হৃদয়ের আহাজারী এক মাত্র আল্লাহর কাছেই নিবেদন করবো।

উদ্ধৃত আয়াত থেকে এ শিক্ষাই পাওয়া যায় যে, মানুষকে তার সকল প্রয়োজনের কথা একমাত্র আল্লাহ তায়ালার হুজুরেই নিবেদন করতে হবে। আর প্রকৃত পক্ষে এ কাতর কন্ঠের মিনতি শ্রবণের ক্ষমতা ও এখতিয়ার একমাত্র আল্লাহ রাব্বুল আলামিনেরই রয়েছে। অন্য কোন সত্ত্বার না এ অভাবের কথা শ্রবণের এখতিয়ার আছে , আর না তা পুরণ করার ক্ষমতা আছে।

অত:পর যে বিষয়টি উল্লেখিত হয়েছে তা হচ্ছে এই যে, মানুষকে এ পৃথিবীতে শুধু তাঁর বান্দা আব্দ্ বা দাস হিসাবেই সৃষ্টি করা হয়নি, মানুষ কে অত্যন্ত মর্যদা সম্পন্ন করা হয়েছে খেলাফতের দায়িত্ব প্রদান করে। এ মর্যাদা একদিকে যেমনি প্রভূত সম্মানজনক অন্যদিকে তেমনি অতীব দায়িত্বপূর্ণ। আল্লাহ তায়ালার সৃষ্ট এ পৃথিবীকে সার্বিক ভাবে সাজিয়ে নেয়া এ দায়িত্বের মূলমন্ত্র। পৃথিবীকে সাজিয়ে তোলার মূল উপাদান হচ্ছে মানুষ। মানুষকে যদি সঠিক ভাবে সাজিয়ে নেয়া যায় তাহলেই পৃথিবীকে সুন্দর ভাবে সাজানো সম্ভব। মানুষকে সাজানো হবে কি ভাবে তা কিন্তু পৃথিবীর খেলাফতের দায়িত্ব প্রাপ্ত মানুষ নিজেই তা সিদ্ধান্তের ক্ষমতা রাখেনা, কারণ মানুষকে সে নিজে সৃষ্টি করেনি। না তার সৃষ্টি করার ক্ষমতা আছে। বরং মানুষ হচ্ছে পরম কূশলী মহাবিজ্ঞানী আল্লাহ তায়ালার সৃষ্টি। অত্যন্ত যৌক্তিক সঠিক সিদ্ধান্ত হচ্ছে এই যে সৃষ্টি যিনি করেন পরিচালন, প্রতিপালন ও রক্ষণাবেক্ষণ তারই দায়িত্ব এবং তার পক্ষেই তা সম্ভব। অন্য কোন সত্ত্বার পক্ষে প্রতিপালন ও পরিচালনের বিধান প্রণয়ন অসম্ভব এবং অযৌক্তিক। ফলে অত্যন্ত যৌক্তিকভাবেই মানুষের জন্য দুনিয়ার জিন্দেগী পরিচালনার পথ ও পন্থা নির্দেশ করার দায়িত্ব ও অধিকার মানুষের স্রষ্ঠা আল্লাহ তায়ালার উপরই বর্তায়। এ দায়িত্ব মানুষ ও সমগ্র সৃষ্টির স্রষ্ঠা ও লালন পালনকারী আল্লাহ তায়ালা যথাযথ ভাবে পালনের ব্যবস্থা করেছেন। তিনি মানুষের মধ্যে থেকে বিশেষ বিশেষ ব্যক্তিদেরকে তাঁরই বিধান পরিচালনা পদ্ধতি মানবজাতিকে জানিয়ে দেওয়ার দায়িত্বে নিযুক্ত করেন তারা হলেন নবী, রসূল ও পয়গাম্বর। তাঁরা ফেরেশতা জিবরাঈল (আঃ) এর মাধ্যমে মানুষ ও সমগ্র সৃষ্টির জন্য আল্লাহর প্রদত্ত বিধান অবগত হয়ে মানুষের কাছে তার প্রকাশ ও প্রচার করেন। মানুষকে এ নির্দেশনার পরিপন্থি জীবন যাপনের কুফল সম্পর্কে সতর্ক করাও নবী পয়গাম্বরদের দায়িত্ব। এ দায়িত্ব তারা যথাযথ ভাবে পালন করেছেন। মানুষের জন্য এটা জরুরী এবং নির্ধারিত বিধান যে এ পয়গাম পাওয়ার পর সে নিজে তা অনুসরণ করে চলবে এবং পারিপর্শ্বিক জীবনে যাদের সম্পর্ক রয়েছে তাদের সবাই এ বিধান অনুযায়ী যাতে চলে তার সকল পদক্ষেপ গ্রহণ করবে এবং খোদার নিযুক্ত প্রতিনিধির মত দায়িত্ব পালন করে যাবে।

মানুষকে সঠিক পথের নির্দেশনা প্রদানের যে দায়িত্ব পরম স্রষ্ঠা প্রভূ পরওয়ারদিগার আল্লাহ তায়ালা গ্রহণ করেছেন তার যথাযথ প্রতিপালনের পন্থা হিসাবে মানুষকে তারই প্রতিনিধির মর্যাদায় নিযুক্ত করেছেন। ফলে মানুষ একদিকে যেমন তারই বান্দা ও অনুগত দাস হিসাবে তার সকল নির্দেশ মেনে নেবে অন্যদিকে তেমনি তারই প্রদত্ত বিধান ও নির্দেশনা যাতে মানুষ ও সকল সৃষ্টির উপর কার্যকরী হয় এ দায়িত্ব পালনের মাধ্যমে প্রতিনিধিত্বেরও দায়িত্ব যথাযথ ভাবে পালন করবে। এ দায়িত্ব পালনের বৈধ অধিকার মানুষকে আল্লাহ তায়ালা ই প্রদান করেছেন। উদ্ধৃত আয়াতে আল্লাহ তায়ালা এ কথার ইংগীত প্রদান করেছেন এই বলে “ওয়া ইয়াজ আলুকুম খুলাফা আল আরদ্ধ আ ইলাহুম মা আল্লাহ” অর্থাৎ তিনি তোমাদেরকে এ যমীনে খলীফা নিযুক্ত করেছেন, এ কাজে আল্লাহ তায়ালার সাথে অন্য কোন মা’বুদের কর্তৃত্ব আছে কি? অত্যন্ত বলিষ্ঠভাবে যুক্তিসহ একমাত্র আল্লাহ তায়ালাকে মানুষের জীবনের সকল  কাজের বিধায়ক মেনে নেয়ার এ আহবান নবীর মাধ্যমে পথভুলা মানুষের সামনে পেশ করে মানুষদেরকে সঠিক পথের সন্ধান প্রদান করাই প্রকৃত পক্ষে এ আহবানের মূল লক্ষ্য। আল্লাহকে বাদ দিয়ে এমন কোন সত্ত্বার সন্ধান পাওয়া মানুষের পক্ষে সম্ভব নয় যে সত্ত্বা মানুষকে, সঠিক পথ  নির্দেশনা প্রদান করতে পারেন। রূপক অর্থে এ কথারই প্রতিধ্বনি হচ্ছে উদ্ধৃত এ আয়াত অংশে। “আম্ম্ইা ইয়াহদিকুম ফী জুলুমাতিল বাররি ওয়াল বাহরি ওয়ামাই ইয়ুরছিলুর রিয়াহা বুশরাম বাইনা ইয়দাই রাহমাতিহী ; আ ইলাহুম মা আল্লাহ, তায়ালা আ’ম্মা ইয়ুশরিকুন”। অর্থাৎ তিনিই(কি শ্রেষ্ঠ নন) যিনি তোমাদেরকে গভীর সমুদ্র ও বিস্তীর্ন স্থল ভাগের গহীন অন্ধকারে পথের সন্ধান প্রদান করেন যিনি তার অনুগ্রহ সম বৃষ্টি বর্ষণের পূর্বাভাষ হিসাবে সুসংবাদসহ বাতাস প্রেরণ করেন। এসব কাজে আল্লাহর সাথে অন্য কোন মাবুদের অস্তিত্ব তোমরা খুঁজে পাও কি? উদ্ধৃত আয়াতে সর্বশেষ যে ইংগীত প্রদান করে বক্তব্য সমাপ্ত করা হয়েছে তা হচ্ছে জলে স্থলে ও অন্তরীক্ষে যেখানেই মানুষের বিচরণ থাকুকনা কেন সে স্থানে মানুষের জীবনযাত্রা পরিচালনার উপায় ও উপকরণ, পথ ও পন্থা এবং আইন ও কানুন প্রদানে ক্ষমতা ও এখতিয়ার একমাত্র আল্লাহ তায়ালারই হাতে, অন্য কোন সত্ত্বা এর কোনটির সামান্যতমও অংশীদার নন।

এমনিভাবে মানুষ এবং সকল সৃষ্টির জীবন যাত্রা নির্বাহের জন্য যেসকল বস্তুগত প্রয়োজন রয়েছে তার যথাযথ সরবরাহ একমাত্র আল্লাহ তায়ালারই নিয়ন্ত্রণাধীন। সকল প্রকার জরুরী প্রয়োজনের মধ্যে পানির প্রয়োজনীয়তা পূরণ একটি অতীব গুরুত্বপূর্ণ আয়োজন যা স্বয়ং আল্লাহ তায়ালাই নিয়ন্ত্রণ করে থাকেন। আয়াতে উল্লেখিত হয়েছে “তারই অনুগ্রহ-সম বৃষ্টি বর্ষণের আগে সুসংবাদ বাহীরূপে বাতাস প্রেরণ করেন”। বৃষ্টি বর্ষণের ক্ষেত্রে বায়ুর শীতলতা একটি উল্লেখযোগ্য উপাদান। মহান আল্লাহ নিজ ক্ষমতা বলে বায়ুর শীতলতা নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে বৃষ্টি ঘটান। বৃষ্টি সংঘটনে যেমনি আল্লাহর সাথে অন্য কোন সত্ত্বার কোন অংশীদারিত্ব নেই ঠিক তেমনি মানুষের জীবন পরিচালনার সার্বিক নির্দেশনা প্রদানের ক্ষেত্রেও একমাত্র আল্লাহ তায়ালাই নিরঙ্কুষ ক্ষমতার অধিকারী। মানুষের জন্য একমাত্র আল্লাহ তায়ালার নির্দেশনা অনুসরণই যুক্তিসংঙ্গত নিরাপদ এবং সঠিক; এতদব্যতীত অন্য কোন পথ ও পন্থা, উপায় ও উপকরণ, আইন, বিধান ও নির্দেশনা অনুসরণ কোনক্রমেই যুক্তি যুক্ত যথাযথ ও নিরাপদ হতে পারে না। মহান আল্লাহ আমাদের জিন্দেগীর পথের দিশা হিসাবে আল্লাহ তায়ালা পদত্ত নির্দেশনা গ্রহণ করে সঠিক সুন্দর জীবন গঠন ও পরিচালনার তৌফিক দিন। (সমাপ্ত)

————————————–

*লেখকঃ

চীফ সায়েন্টিফিক অফিসার ও প্রকল্প পরিচালক (অবসর প্রাপ্ত),

বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট, জয়দেবপুর, গাজীপুর।

FacebookTwitterGoogle GmailEmailYahoo MailYahoo MessengerShare

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *